প্রজন্ম ফোরামে আমার তিন হাজার পোস্ট ও কিছু ফটোগ্রাফি।

হেল্লো ফোরামিক ভাই ও বোনেরা। আমি ফিরোজ আহমাদ বলছি , বাংলাদেশের বননী থেকে । সম্প্রতি প্রজন্ম ফোরামের ৩০০০ পোস্টের অধিক পোস্ট কমপ্লিট করেছি । তাই বটগাছে নতুন একটি টপিক লিখতে যাচ্ছি , চলে আসুন না আমার সঙ্গে smile

সলে লিখার জন্য কোন টপিকই খুজে পাচ্ছিলাম না । কিন্তু ৩০০০ পোস্ট কমপ্লিট করে ফেলেছি তাই একটা নতুন টপিক না লিখলে নিজের কাছে কিরকম যেন দোষী মনে হচ্ছিল  sad। আসলে আমি প্রচুর অলস , একারনেই ফোরামে পোস্ট বেশি থাকলেও আমার টপিক কম  ghusi, আর সম্মাননা ও খুব একটা বেশি নয় ।
প্রজন্ম ফোরামে আসার পর থেকেই ফোরাম থেকে একটার পর একটা জিনিস শিখেই যাচ্ছি । পরিচিত হয়েছি অনেক ভাল মানুষের সাথে, অনেক সময় উপভোগ করেছি তাদের সাথে ।প্রজন্মের কাছে এজন্য কৃতজ্ঞ।অনেককেই প্রচুর পরিমানে জ্বালিয়েছি  tongue। তারা যে এত জ্বালা সত্ত্বেও এই বিরক্তিকর আমাকে সহ্য করেছেন এজন্য তাদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ ।  thumbs_up thumbs_up
আমি একটু বিরক্তিকর টাইপের । যদি আমার কোণ ব্যাবহারে কেউ দুঃখ পেয়ে থাকেন আমি তাদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। smile
এবার আসি ফটোগ্রাফির ব্যাপারে । আসলে এটাই বোধ হয় মেইন টপিক  tongue। এনিওয়ে এ ছবিগুলোর অধিকাংশই এতদিন আমার কম্পিঊটারের কোণে পরেছিল । সিলেকশনের বাইরে ছিল । কাল ওগুলো থেকেই এ কয়টা বের করলাম শেয়ার করার জন্য ।এখানে কোন ছবিই ফটোশপ দিয়ে এডিটীত না (অতএব আমার বিরক্তিকর এডিটীং থেকে মুক্ত thumbs_up )   তবে দুই একটা হালকা পিকাসিত (পিকাসা দিয়ে এডিট করা ) ।
ফটোগ্রাফি গুলো দেখার আগে নিম্নোক্ত পয়েন্টগুলো দেখে নিন ।

১। ফোকাস বিভাগে না দেয়ার কারন হল এখানে শুধু আমার তোলা ছবি নয় অন্যের তোলা ছবিও আছে । তাদের নাম ছবির বিবরনে থাকবে । আর আমার ছবিও আছে ।  tongue
২। এ ফটো গুলো আমার অনেক ভাল লাগলেও অনেকেরই হয়তো ভাল লাগবে না। তাই তো বটগাছে নিজের দুঃখ জানালাম এবং এ কারনেই ছবিগুলোর আগে পরে মাঝখানে প্রচুর পরিমানে ফাও প্যাচাল থাকবে ।  tongue

 

১।
https://i2.wp.com/farm7.static.flickr.com/6120/6341848848_b2e80e2559_z.jpg
Wonder Of Shylet 2 by Ahmad Firoz, on Flickr

জাফলং থেকে তোলা। ফ্রেন্ড রা খুব ফুর্তি করতেছিল। আমিও পার্টিসিপেট করেছিলাম ওদের সাথে । হঠাৎ জানতে পারলাম এক বন্ধু সাতার জানে না । মনটা কিছুক্ষন খারাপ ছিল । তখনই ক্যাপচার করি এ ফটোটা। পরে মন ভাল হয়ে গিয়েছিল এবং কোন রকম দুর্ঘটনা ছাড়াই সেদিনের ফুর্তি সম্পন্ন করি । ছবিটি রিসাইজ এবং ক্রপ ছাড়া কোন এডিট করা হয় নি ।

২।
https://i0.wp.com/farm7.static.flickr.com/6107/6341847110_10c6e6e505_z.jpg
Rewinding Memories. by Ahmad Firoz, on Flickr

একরাত সিলেটে ছিলাম । সারাদিন প্রচুর ফুর্তি করেছি । যেহেতু ল্যাপ্টপ নেই নি(একচুয়ালি কীবোর্ড নষ্ট ছিল )  তাই আগের পদ্ধতিতে ডায়েরি লিখলাম এক পাতা। এ অবস্থাই তোলা হল এটা। এ ছবিটিও রিসাইজ এবং ক্রপ ছাড়া কোন এডিট করা হয় নি।
ফটোগ্রাফিঃ আসাদুজ্জামান সজল (আমার ভ্রমনসংগী এবং একজন ভাল বন্ধু)

৩।
https://i2.wp.com/farm7.static.flickr.com/6105/6341095201_b2f3021a45_z.jpg
Danger zOne by Ahmad Firoz, on Flickr

প্রচুর পরিমানে মজা করেছি যেদিন মাধবকুন্ড গিয়েছিলাম । এবং ছোটখাটো এডভেঞ্চারও দিয়েছিলাম। তাই রশির বাইরে এ বিপদজনক স্থানে গিয়েছিলাম এবং পরিকুন্ড গিয়েছিলাম । হয়ত নাও ফিরে আসতে পারতাম । তবে তখন ওসব কিছুই পরোয়া করি নাই  tongue(অতিরিক্ত পাকনামি )। ছবিটি রিসাইজ এবং ক্রপ ছাড়া কোন এডিট করা হয় নি । যেহেতু ওয়াটারপ্রুফ ক্যামেরা তাই এতক্ষন ছিল। নইলে ………বুঝতেই পারছেন।  big_smile wink
ফটোগ্রাফিঃ ফুর্তির মধ্যে কে যে তুলেছিল খেয়াল করি নাই  sad

৪।
https://i1.wp.com/farm7.static.flickr.com/6042/6341092351_4a4cd8ef2b_z.jpg
Multitasking Processor ME by Ahmad Firoz, on Flickr

বাড়িতে গেলে প্রায়ই স্কুলের কাজে এরকম কপি পেস্ট বা চ্যাটিং এ ব্যাস্ত থাকি । ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে একই সাথে কাজ করতে হয় মাঝে মাঝে। এই সুযোগেই এটা তোলা । এ ছবিটি শুধু রিসাইজ করা হয়েছে ।
ফটোগ্রাফিঃ ফরহাত আহমাদ। (আমার সবচেয়ে ভাল বন্ধু এবং ছোট ভাই এবং শত্রু  tongue)

৫।
https://i2.wp.com/farm7.static.flickr.com/6228/6341090891_195067c581_z.jpg
Pen by Ahmad Firoz, on Flickr

ছবিটির কনসেপ্ট টা আমার দারুন লেগেছে । ওর (ফটোগ্রাফার) এর মাথায় এ সাবজেক্ট টা আসবে ভাবতেই পারিনি । এই বয়সে এবং অনভিজ্ঞ অবস্থায় তুলেছে । তবে পরে আমি ঠিক করে একটা ভাল করে তুলেছিলাম । কিন্তু ওর সাবজেক্ট হিসেবেই
ওর তোলা ফটোটাই একটূ ক্রপ করে দিলাম ।
ফটোগ্রাফিঃ ফরহাত আহমাদ।

৬।
https://i1.wp.com/farm7.static.flickr.com/6106/6341089251_63bfd3de0b_z.jpg
LIL by Ahmad Firoz, on Flickr

আহবান ( কিশোর ও তরুনদের বিজ্ঞান সংঘটন ) এর সাপ্তাহিক সভায় গিয়েছিলাম । হঠাৎ করেই কলি আপু ক্যামারাটা চাইল । দেখি এই পিচ্চির ফটো তুলে নিয়ে হাজির । জানিনা এ পিচ্চি কে ? কিন্তু দেখতে খুবই কিউট? কি বলেন ?  tongue । ছবিটি হালকা পিকাসিত ।
ফটোগ্রাফিঃ কলি মুস্তফা ( রক্তের কোন সম্পর্ক না থাকলেও একইসংগে আপু এবং বন্ধু । অনেক কিছু শিখেছি উনার কাছে থেকে।)

৭।
https://i0.wp.com/farm7.static.flickr.com/6231/6341836806_62677791c2_z.jpg
Unknown trend by Ahmad Firoz, on Flickr

কবে তুলেছি? কখন তুলেছি? কিভাবে তুলেছি?কোথায় তুলেছি? কিছুই মনে করতে পারছি না  । কম্পিঊটারে ছিল , এবং এক্সিফ ডাটা দেখে বুঝলাম আমারই তোলা। ভাল লাগল তাই শেয়ার করলাম  smile। খুবই হালকা পরিমানে পিকাসিত ।

৮।
https://i0.wp.com/farm7.static.flickr.com/6057/6341833120_bbb9cc61c5_z.jpg
Black Beauty by Ahmad Firoz, on Flickr

আগে প্রায় প্রতিদিনই গুলাশান পার্কে যেতাম , এখন খুব একটা যাওয়া হয় না। সময় ফুলগুলো তুলতে ইচ্ছা হল একদিন । তুলে নিলাম  tongue। ছবিটী শুধু রিসাইজ করা হয়েছে ।

৯।
https://i0.wp.com/farm7.static.flickr.com/6098/6341829770_70ec3fd221_z.jpg
Obscure Beauty by Ahmad Firoz, on Flickr

হঠাৎ করেই কাল কম্পিঊটারে দেখলাম । ৭ নং ছবির মতই কিছুই জানা নেই। ৭ আর এটি একি দিনে তোলা(এক্সিফ অনুযায়ী)। ওইদিনের মেমোরি হারিয়ে গেল নাকি ? kidding mad । এখন মনে পড়লেও বলব না । উহ্য থাক । ছবিটী পিকাসিত ।

১০।
https://i2.wp.com/farm7.static.flickr.com/6118/6340332961_a91f341fe6_z.jpg
Bricks & amp by Ahmad Firoz, on Flickr

গ্রামের বাড়িতে কোন এক নির্মানাধীন বাড়ীর অংশ । যতবারই দেখি ততবারই মনে হয় “আমি তো ঈটের মত কঠিন না”  tongue। ছবিটী হালকা পিকাসিত ।

পরিশেষে কষ্ট করে যারা আমার এ বাড়তি জ্বালাটুকো সহ্য করেছেন তাদেরকে অশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি ।  smile। ভাল থাকবেন সবাই ।  smile

প্রজন্ম ফোরামের বটগাছ বিভাগে প্রকাশিত ।
http://forum.projanmo.com/topic31788.html

Advertisements

সুপার ওয়ান ক্লিক দ্বারা এক ক্লিকে রুট করুন আপনার এন্ড্রয়েডকে ( জিপি ক্রিস্টাল এন্ড্রয়েড 2.2.2 ডিভাইসে পরীক্ষিত)+ গ্যালাক্সি এইস সিস্টেমে সহজ পদ্ধতিতে রুট ।

পুর্বকথাঃ আমার জিপি ক্রিস্টাল কে রুট করতে বহু ঝামেলা পোহাতে হয়েছে । কিছুতেই হচ্ছিল না । কোন ভাল টিঊটোরিয়াল ও পাচ্ছিলাম না । আর বাংলায় তো নেই ই । ভবিষ্যতে রুটিং এর ঝামেলায় পরলে যাতে আর কাউর আমার মত খাটুনি খাটতে না হয় তার জন্যই এই টিউটোরিয়াল ।

রুট করার আগে যে সমস্ত কিছু দেখে নেওয়া জরুরি ।

১।যারা এন্ড্রয়েড রুটিং সস্পর্কে কিছুই জানেন না তারা মেহেদী ৮৩ এর এই  পোস্টে ঢু মেরে দেখতে পারেন । 🙂

২। এটা অধিকাংশ এন্ড্রয়েড ফোনে কাজ করবে। কিন্তু যে সমস্ত ফোনে কাজ করবে না তারা হলঃ
Sprint EVO 4G (HTC Supersonic)
Droid Incredible (HTC Incredible)
HTC Desire GSM
HTC Desire CDMA (HTC BravoC)
HTC Aria
Droid Eris (HTC DesireC)
HTC Wildfire (HTC Buzz)
HTC Legend
MyTouch Slide
এসমস্ত ডিভাইসের জন্য http://theunlockr.com/how-tos/android-how-tos/ লিঙ্কে ঢু মেরে দেখতে পারেন

৩।এটা আপনাকে রুট করতে দেবে । অবশ্যই রুট আপনার নিজ দায়িত্বে করবেন । রুট করার কিছু অপকারী দিক আছে যা নিমিষেই আপনার এন্ড্রয়েড এডভেঞ্চার এবং টাকা নষ্ট করে দিতে পারে সো বি কেয়ারফুল ।

৪। এটা করার জন্য আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত কম্পিউটার লাগবে ।

৫। এটা করার জন্য আপনার Microsoft .NET framework 2.0 বা তধোর্ধ ভার্সন লাগবে ( উইন্ডোজ সেভেনে আগেই দেয়া থাকে ) আর উইন্ডোজের অন্যান্য ভার্সনের জন্য লিঙ্কঃ
৩২ বিটঃলিঙ্ক
৬৪ বিটঃলিঙ্ক

ইনস্টলেশন ও রুটিং

১।সুপার ওয়ান ক্লিকের লেটেস্ট ভার্সন টী ডাউনলোড করুন এবং আনজিপ করুনঃ
লিঙ্ক

২। আপনার ফোণে Settings > Applications > Development > নিশ্চিত করুন USB Debugging চেক অন করা আছে ।

৩। আপনার ফোনটি কম্পিউটারের সাথে ইউ এস বি কেবল দ্বারা যুক্ত করুন ।

৪। রুট বাটন টিতে ক্লিক করুন এবং শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
যদি এটা waiting for device… এসে আটকে যায় তাহলে নিচের পদ্ধতিগুলোতে চেষ্টা করুন
ক) চেক করুন USB DIBUGGING (Application>>Settings>> USB Debugging) চালু করা আছে কিনা।
খ) রুটিং প্রোগ্রাম টি বন্ধ করুন । আপনার ফোন টিকে বন্ধ করুন (প্লাগড ইন রেখেই)। রুটিং প্রোগ্রাম টা খুলুন এবং রুট এ ক্লিক করুন । এবং ফোনটাকে চালু করুন দেখুন কাজ হয় কিনা। (জিপি ক্রিস্টালে কাজ হয়নি । সুতরাং ক্রিস্টাল ডিভাইসে এটা করার দরকার নেই । )
গ) প্রোগ্রামটি বন্ধ করুন এবং ফোন টি আনপ্লাগ করুন। তারপর পিডিএ নেট ডাউনলোড করুন এবং এর স্ক্রিনে দেয়া প্রসিডিঊর অনুযায়ী ইন্সটল করুন। এটা আপনার কম্পিঊটারে ম্যানুয়ালি USB ড্রাইভার গুলোকে ইন্সটল করবে ।
এটা ঠিকভাবে ইনস্টল হলে আপনার ডিভাইস টিকে প্লাগ ইন করুন এবং রুটিং প্রোগ্রাম ওপেন করে রুট করার চেষ্টা করুন । ( জিপি ক্রিস্টাল হলে এখানেই হয়ে যাবার কথা )
ঘ) যদি এটা তারপরো কাজ না করে তাহলে আপনাকে কষ্ট করে ইংরেজিতে লেখা  এই পোস্ট টি অনুযায়ী ADB সেট আপ করুন । তারপর নতুন করে কাজ শুরু করুন

৫।রুটিং হয়ে গেলে আপনার ফোনে সুপারইউজার নামে একটি এপ দেখতে পাবেন।রুট লাগে এমন যেকোন এপ চালিয়ে দেখতে পারেন ।

৬। কি ভাবছেন এত বড় টিউটোরিয়াল অথচ ছবি নাই :P। আপনাদের জন্য ভিডিও টিউটোরিয়াল

অতিরিক্ত:

১। জিপি ক্রিস্টালে বাংলা ফন্ট ইন্সটল করার পর

২। রুটিং এর মাধ্যমে আপনি এক অন্যরকম এন্ড্রয়েড জগতে প্রবেশ করলেন। কিছু উপকারি রুট লাগে এমন এপঃ
ক) Adfree: ফ্রি এপ সমুহের এড বন্ধ করার জন্য।
খ) Move2SD Enabler: নামেই পরিচয়
গ) Font Changer: ফন্ট চেঞ্জ করার জন্য ।(জিপি ক্রিস্টালের বাংলার জন্য লোহিত ফন্ট টাকে আমার ভাল লেগেছে )

কৃতজ্ঞতাঃ
১।  দ্যা আনলকার. কম
২। মেহেদী ৮৩

প্রকাশঃ একই সংগে প্রজন্ম এবং আমার ব্লগে প্রকাশিত।

লাইসেন্সঃ কোন জায়গায় এই লেখাটি শেয়ার করলে লেখক এর নাম দিতে হবে ।

এইস সিস্টেমে সহজ পদ্ধতিতে রুটিং (প্রজন্মে আমার টপিকে মেহেদী ৮৩ এর লেখা কমেন্ট  )

এখানে উল্লেখ করে দেয়া ভাল যে,  সুপার ওয়ান ক্লিক দিয়ে আমি আমার গ্যালাক্সী এইস কে রুট করতে সক্ষম হই নি। ইনফ্যাক্ট গ্যালাক্সী এইস উইথ জিঞ্জারব্রেড রম কে সুপার ওয়ান ক্লিক দিয়ে রুট করা সম্ভব নয়। পরে অবশ্য একটি সুবিধাজনক একটা উপায়ই পেয়েছি। এত কিছু করতেও হয় নি।

প্রসিডিউর:
ক)  প্রথমে এই লিংক থেকে জিপ ফাইল টি নামিয়ে নিন।
খ) জিপ ফাইল টি এসডি কার্ডে কপি করুন।
গ) ফোন শাট ডাউন করে  রিকভারি মোডে চালু করুন ( Home + Power Button)
ঘ) Apply Update from SD Card অপশনটি সিলেক্ট করুন, উক্ত জিপ ফাইলটি দেখিয়ে কনফার্ম করুন।
ঙ)……… হয়ে গেল রুট। সিস্টেম রিবুট করুন। এ্যাপস লিস্টে অটোমেটিক্যালি Superuser নামে একটা এ্যাপ চলে আসবে। এটা দিয়েই মূলত রুট এ্যাপ্লিকেশন গুলো কাজ করে।

এন্ড্রয়েডে আমার ব্যাবহৃত এপ সমুহ ।

আমার এন্ড্রয়েড:

ডিভাইসঃ জিপি ক্রিস্টাল (Huawei U8500)
রমঃ bangal gp 2.2.2

ব্যাবহৃত এপসমুহঃ

Android Assistance এবং Android Booster : ব্যাটারি এবং প্রসেসর এর জন্য ।
Bangla Dictionary: e2b অভিধান
Barcode Scanner: বার কোড স্ক্যান করে ।
CallRecorder : নামেই পরিচয়
Canvas Lite : ফটোশপের মত টুকটাক ব্রাস করা যায় ।
Chess: দাবা
Documants to go : সকল ধরনের ডকুমেন্ট রিড করার জন্য । ডিফল্টভাবেই দেয়া ছিল ।
Dolphin Browser mini ও Opera Mini & Opera Mobile : ব্রাউজার
AngryBirds: ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে কি ?
Ant Smasher: টিপে টিপে পিপড়া মারতে ভালই লাগে smile
jbed : জাভা এমুলেটর ।
Mig33: সাধারন মাল্টি মেসেঞ্জার ।
Mixzing & Winamp : মিউজিক প্লেয়ার ।
Moboplayer: ভিডীও প্লেয়ার ।
PicSay & Photoshop Express: ফটো এডিটর ।
Callblock, Virtual Recorder & Zipviewer : নামেই পরিচয়  thumbs_up
Screen Grabber : স্ক্রিনশট নেয়ার এপ। আনরুটেড অবস্থাই কাজ করে ।
SoloLite & Drumkit : একটা গিটার বাজায় আরেকটা ড্রাম ।  smile
সর্বশেষে আমার সবচেয়ে প্রিয় এপ (৮৩ ভাইয়ের দেখাদেখি ইন্সটল করেছিলাম )
Talking Tomcat 2 : হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাওয়ার মত অবস্থা ।
Google skymap: মহাকাশের তারা/নক্ষত্র সবকিছুর অবস্থান আপনার বর্তমান লোকেশন অনুযায় এই মুহুর্তে কোথায় আছে সেটা দেখিয়ে দিতে পারে।
gps essentials: ফুল ফিচারড ট্যুর গাইড এবং জিপি এস। ইন্সটল করলেই বুঝবেন 😛 ।
imdb : imdb র তৈরি করা অফিসিয়াল এপ ।

গ্রামিনফোন ক্রিস্টাল ( আমার রম bangal gp 2.2.2 ) রিভিউ ।

ভেবেছিলাম এত কম বাজেট + স্পেসিফিকেশনের পচা মোবাইল নিয়ে রিভিউ না লেখাই উত্তম  donttell। কিন্তু ফোরামের কয়েকজন হালকা পাতলা আলোচনা এবং নিজের কিছু একটা ক্ষমতার ফলে রিভিউ লিখতে বাধ্য হলাম ।
প্রথমেই বলে নেই গ্রামীনফোন ক্রিস্টাল আসলে টি মোবাইলের স্পন্সর করা ( !) হুয়াওয়ের একটি মোবাইল। যার মডেল u8500।

https://i1.wp.com/image.cellbazaar.com/images/253600ac-33f6-43e7-8a89-aaec74d5c095.jpg

স্পেসিফিকেশন দেখতেঃ http://www.gsmarena.com/huawei_u8500-3451.php .
প্রথমে জি এস এম এরেনাতেই দেয়া ছিল 3.5mm অডিও জ্যাক নাই । কিন্ত পরে দেখি আছে( কিনার পর দেখি জি এস এম এরেনাও ঠিক করে দিল ) । আর হ্যা নতুন ভার্সনে আপগ্রেড করার পর ( নতুন ভার্সন জিপির অফিসিয়াল সাইটেই আছে )রুট করার বহু চেষ্টা করেও সফল হই নাই ।  neutral
তো আসুন দেখে নেই এই ফোনের সুবিধাগুলো। ( স্পেকের বাইরে )
১। কম দাম ( ১২,১৬০ টাকা ) । এ টাকায় দুই বছরের ওয়ারেন্টি ওয়ালা এন্ড্রয়েড ফোন বাজারে আর নেই ।
২। স্টাইলিস লুক এবং অসাধারন ডিস্প্লে । ফোন দেখার সময় ১৬ পর্যন্ত বাজেটে গিয়েছিলাম । কিন্তু একটারো লুক এবং ডিস্প্লে রেজুলেশন পছন্দ হয় নাই ।
৩। armv6 600 MHz প্রসেসর । সাধারন এপসমুহ এবং মাল্টিটাস্কিং এর জন্য ভালই । যদিও মাঝে মাঝে  nailbiting
৪।  স্ক্রিনশট এপ হিসেবে স্ক্রিনগ্রাবার ব্যাবহার করি। রুট ছাড়াই স্ক্রিনশট নেয়া যায় ।
৫। জিপির রমে ডিফল্টভাবেই ডকুমেন্টস টু গো নামক সফট ওয়্যার দেয়া থাকে । যা দিয়ে অনায়েসে পিডি এফ এবং ওয়ার্ড ফাইল পড়তে পারবেন ।
৬। টেথারিং (ইউএসবি এবং হটস্পট ) এর জন্য রুট লাগে না ।

অসুবিধা সমুহঃ
১। রুট করতে পারি নাই। তাই বাংলা সাপোর্ট আসে নাই  (সমাধানঃ আপনি যদি জিপির অফিসিয়াল সাইট হতে ফ্রয়োর রম নামান তাহলে সেটা হবে 2.2.2 । আর এটা রুট সাপোর্ট করে না । আর হুয়াওয়ের কাছ থেকে নামালে হবে 2.2.1 এটা z4root অথবা সুপার ওয়ান ক্লিক দিয়ে রুট করা যাবে । কিন্তু হুয়াওয়ে কেন জানি ফ্রয়োর আপডেট টা রিমুভ করে দিছে ।তাই পরবর্তী ভার্সনের অপেক্ষায়। )
২। ওয়াই ফাই দিয়ে পিসির সাথে কানেক্ট করতে পারছি না । কিন্তু অন্য ওয়াই ফাইর সাথে কানেক্ট হচ্ছে । ( যদিও কানেক্টিফাই এর মতামত অনুযায়ী সমস্যা আমার ল্যাপ্টপ এর ড্রাইভারে )
৩। জাভা চালানোর জন্য কোণ ভাল এমুলেটর পাচ্ছি না। যেটা আছে( যে বি ই ডী )  সেটা দিয়ে বাটন আনা যায় না । সুতরাং কোণ কিছু ইনপুট  করতে সমস্যা হয় । আর হ্যা এর জন্য একটা লং প্রসেস সমাধান আছে । একটা অনলাইন jar to apk কনাভার্টার আছে কিন্তু খুব স্লো । ২০০ কেবির একটা ফাইল কে কনভার্ট করতে ১ঘন্টা-১.৩০ মিনিট লেগে যায় ।
৪। টাচ টা খুব একটা ভাল না । যদিও আমার সমস্যা হয় না। (অন্যান্য রিভিউ থেকে লিখলাম)
৫। ক্যামেরাটার ও একই অবস্থা ।
৬। ডিফল্ট লি যে হেডফোণ টা দেয় ওটা দিয়ে গান শুনলে মনে হবে এর চেয়ে রেডিও শুনাও ভাল ।
৭। বোরিং স্টার্টাপ টাইম ।

কিনার আগে যে সমস্ত পয়েন্ট মনে রাখবেনঃ

১। আপনার যদি এন্ড্রয়েডে গেম খেলার (এংরি বার্ড এবং কয়েকটি পাজল গেম বাদে ) ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সেট টিকে আপনার পছন্দের তালিকা হতে বাদ দিতে পারেন।  tongue
২।যারা কম দামে এন্ড্রয়েড এডভেঞ্চারে নেমে পড়তে চান তাদের জন্য বেস্ট সেট বলা যেতে পারে।
৩।বাংলা সাপোর্টেড না । তবে অপেরা মিনি পদ্ধতি কাজ করে ।
৪। যাদের জিপির ওয়ারেন্টি পলিসি নিয়ে এলার্জি আছে তাদেরকে ব্যাপারটা ক্লিয়ার করে দেইঃ যে সিমই ব্যাবহার করেন না কেন ওয়ারেন্টি পাবেন ১৮ মাস । আর যারা জিপি একটানা ১৮ মাস ব্যাবহার করবেন। তাদের জন্য রয়েছে এক্সটেন্ডেড ৬ মাসের ওয়ারেন্টি ।

অতিরিক্তঃ
১।যারা ডিফল্ট হেডফোন দিয়ে মিউজিক শুনতে শুনতে  বোরিং হয় যাবেন তারা কম খরচে (৩৫০টাকা) ক্রিয়েটিভের নিচের ছবিতে দেয়া হেডফোণ গুলা কিনতে পারেন । আইডীবিতে পাবেন।

https://i1.wp.com/www.lunashops.com/images/upload/Image/creative-earphone-2.jpg

২। ফোনের সাথে ডিফল্টভাবে কোন স্ক্রিন প্রোটেক্টর দেয়া থকে  না। আর এই সেটের জন্য স্পেসিফিক কোন স্ক্রিন প্রটেকটর পাবেন না । তবে বসুন্ধরা সিটি তে গেলে অরা অন্যটার স্ক্রিণ প্রটেক্টর কেটে লাগিয়ে দিবে। দাম ৮০ টাকা( বোনাস হিসেবে একটা ছোট কাপড় ও পাবেন মুছার জন্য )  tongue

৩। এ সেটের জন্য কোন বক্স কভার পাবেন না। তবে পাউচ কভার পাবেন । ভাল কভারের দাম ৮০-১২০ টাকা । smile

৪। ব্যাটারিটা অনেক কমন ব্যাটারি । যারা স্মার্টফোন নিয়ে জার্নি বেশি করেন বা অনেক বেশি ইন্টারনেট ব্যাবহার করেন । কিনে নিতে পারেন অতিরিক্ত একটি ব্যাটারি । দাম ৩০০- ৬০০ টাকা । smile

স্ক্রিনশট
১। https://i0.wp.com/a3.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/313884_2498265659170_1328744306_33019490_1060523511_n.jpg
মিডল হোমস্ক্রিন ।

২।  https://i1.wp.com/a8.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/321559_2474960796563_1328744306_33001238_1523111195_n.jpg
উইন্যাম্প উইজেট এবং ওয়েদার আপডেট । মিউজিক প্লেইং ।

৩।  https://i1.wp.com/a2.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc7/314646_2474961476580_1328744306_33001239_1815244979_n.jpg
এপসমুহের একাংশ ।

৪। http://a3.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc7/299565_2498225778173_1328744306_33019484_576190470_n.jpg]
এন্ড্রয়েড এসিস্টেন্স হতে স্ক্রিনশট।

৫। https://i0.wp.com/a5.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc7/316208_2498232058330_1328744306_33019485_92136478_n.jpg
বেঞ্চমার্ক sad

৬।https://i2.wp.com/a8.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/s720x720/299861_2497273074356_1328744306_33018969_578817575_n.jpg
ক্যামেরা কোয়ালিটি ।

পরিশেষে কেমন লাগল এ রিভিউ টি ? জানাতে ভুলবেন না । ( যদিও জানি আমার লেখা রিভিউ এবং অন্যান্য (! ) বিরক্তিকর হয় ) । আর বিরক্ত করব না । আজ এটুকুই । ধন্যবাদ ।  smile

প্রজন্ম ফোরামের মেহেদী ৮৩ ভাইয়ার করা কিছু গুরুত্বপুর্ন পয়েন্ট ( আপনাদের কাজে লাগতে পারে )

১) ক্যাপাসিটিভ টাচ আর রেসিস্টিভ টাচ এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে ক্যাপাসিটিভ টাচ জোরে চাপলে কিন্তু কাজ করে না। স্লাইট টাচ এবং পয়েন্টেড টাচ করতে হবে, তাহলে হালকা টাচেই কাজ করে।  রেসিস্টিভ টাচের মত জোরে চেপে কোন লাভ নাই।

২) তারেক ভাই এরটাও ARM v6 600Mhz, আমার টা ARM V6 turbo (800Mhz) একই জিনিস। আপনার সমস্যা প্রসেসর এ না, র্যাম এর।  তাছাড়া ডিসপ্লেতে বাড়তি ইউজেট চালু করলে রাখলে সেগুলো র্যাম খায়, বেশ ভালই র্যাম খায়, বাড়তি হোমস্ক্রীন+উইজেট থাকলে সেগুলোও ব্যাটারী এফেক্ট করে। আমার ফোনের হোমস্ক্রীণ মাত্র ১টা এবং সেখানে ২টা উইজেট আর ৪টা এ্যাপ শর্টকাট মাত্র।

৩) এন্ড্রয়েডের ক্যামেরা নিয়ে প্রায় সব সেটেই কম বেশী অসন্তোষ থাকে নাকি। সেই দিক থেকে এই ক্যামেরা খারাপ বলা যায় না। বলতে পারেন শুধু ক্যামেরার কারনেই দাম বেড়ে যেতে পারে অনেকখানি।

৪) স্টার্টআপ কত সময় লাগে ?? প্রায় সকল ফোনেরই স্টার্টআপ টাইম একটু বেশীই সম্ভবত (HTC নতুনগুলো বাদে ওগুলোতে হাইবারনেট জাতীয় কিছু ফীচার আছে যেকারনে বুট অনেক ফাস্ট)
আমার গ্যালাক্সী এইস সিস্টেম স্টার্টআপ ৫৭ সেকেন্ড + এ্যাপ চালু করতে ১মিনিটের মত। সব মিলিয়ে দেড় থেকে দুই মিনিট। sad

৫) গেম যদি এংগ্রী বার্ড খেলা যায়, তাহলে অনেক গেমই খেলা যাবে। একটু বেশী গ্রাফিকাল গেম খেলতে গেলে বিপদ কারন আপনার সম্ভবত আলাদা জিপিইউ নাই। আমি Adreno 200 নিয়েই কিছু জিনিসে আটকে যাই। sad

৬) ফ্রয়ো থেকে ডিফল্টভাবেই  ইউএসবি/ওয়ারলেস টেথারিং সাপোর্ট দেয়া আছে, আলাদা এ্যাপ ছাড়াই কাজটা করা যায়, অতএব রুট না লাগাই স্বাভাবিক।

৭) ব্যাটারী ইস্যু আসলে নির্ভর করে ব্যাবহারের উপর, আমার এবং বেঙ্গল বয়ের একই ফোন। আমার টা আজকে ৩দিন পর চার্জে লাগাইলাম। বেঙ্গল বয়ের টা প্রায় প্রতিদিনই চার্জে দিতে হয়।
উল্লেখ্য, ওয়াইফাই, জিপিএস এগুলো প্রচুর চার্জ খায়, কাজেই দরকার না হলে এগুলো অফ রাখেন। গান শুনলে চার্জ সহজে শেষ হয় না। আমি প্রায় ১২ঘন্টা গান শুনেছি টানা, তারপরও কথা বলার জন্য অনেক চার্জ ছিল।  তাছাড়া, র্যামের উপর দরকার না হলে চাপ কমান, অপ্রয়োজনীয় এ্যাপ বন্ধ করে দিতে পারেন, হোমস্ক্রীণ যতটুকু দরকার সেই কয়টাই রাখেন, উইজেট না রাখাই বেটার, এগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে মূলত পুরা এ্যাপটাই চালাতে থাকে সবসময়, কাজেই সে ব্যাটারী নিতে থাকে।  আর রেজ্যুলেশন 320×480, তুলনামূলক বেশিই ব্যাটারী খাওয়ার কথা।

একই সাথে প্রজন্ম ফোরামে প্রকাশিত ।

আমি ও আমার ক্যাম্পাস (NHTTI ) [প্রজন্মে স্বপ্নিল ভাইয়ের সম্পাদনা করা আমি ও আমার ক্যাম্পাসের ধারাবাহিক পর্বের একটি পর্ব।]

ক্যাম্পাস এবং আমার সম্পর্কে স্বপ্নিল ভাইয়ের লেখাঃ

আজকের অতিথি আমাদের সবার চেনা জানা মুখ ত্রিনিত্রির রাশিমালা বা ফিরোজ। সে পড়াশোনা করছে NHTTI (NATIONAL HOTEL & TOURISM TRAINING INSTITUTE) তে।

আমি খুব অসুস্থ থাকায় তাকে খুব একটা সাহায্য করতে পারিনি, এজন্য আন্তরিকভাবে দু:খিত। তার উত্তরগুলো বেশ গোছানো, আমার কাছে অনেক ভাল লেগেছে, আর ছবিগুলোও বেশ সুন্দর। আমি ফিরোজের উপর বেশ সন্তুষ্ট। আমি শুধু ফিরোজের জন্যই অনলাইনে এসে এ টপিক করলাম, নাহলে টপিক খোলার মত অবস্থা আমার নেই। অসুস্থতার কারণে এর বেশি কিছু বলছি না। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

ক্যাম্পাস সম্পর্কে কিছু কথা………
-NHTTI এর সম্পর্কে প্রথম বলেন আমার বাবা। তারপর কিছুটা ইন্টারনেট ঘেটে খবর বের করে ভর্তি ফর্ম নিলাম। তারপর আরকি ভর্তি পরীক্ষা ,ভাইভা। ভাবিনি এটায় চান্স পাব। ভাবি নি কোর্স টা গতানুগতিক পড়ালেখার মত নয় , ভাবি নি এটা একটা প্রফেশনাল ইন্সটিটিঊট। আর হ্যা এটা কে আমি ও আমার ক্যাম্পাস সিরিজে দেয়া কতটুকু যুক্তিযুক্ত তাও ভাল করে ভাবিনি। NHTTI (NATIONAL HOTEL & TOURISM TRAINING INSTITUTE) হল এমন একটা প্রতিষ্ঠান যার গতানুগতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মত একাধিক ক্যাম্পাস নেই। আছে একটি যথার্থ সুযোগ সুবিধাযুক্ত ক্যাম্পাস, গুটিকয়েক ছাত্র-ছাত্রী এবং খুবই মানসম্মত (কম বলা হয়ে গেল) কয়রকজন শিক্ষক।সুযোগ সুবিধার মধ্যে শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম, কম্পিঊটার ল্যাব, প্রফেশনাল কিচেন, অডিও ভিজুয়াল ল্যাব, প্রফেশনাল বই এবং জানার জন্য যথেষ্ট বই সম্পন্ন একটি লাইব্রেরী ও ব্যাক্তিগত রেকর্ডিং বুথ সহ ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব এর কথা উল্লেখ করা যেতে পারে।

বর্তমানে পড়ালেখার বিষয়….……
-আমি পড়ছি ডিল্পোমা ইন হোটেল ম্যানেজম্যান্ট এ। কোর্সের সময় ২ বছর। ইন্সটিটিউটের সবচেয়ে বড় কোর্স এটা। একটা পাঁচ তারা হোটেল এর সকল সুযোগ সুবিধাধি সম্পর্কে জানা এবং সুযোগ সুবিধাদি দেয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় এই কোর্সে। আমাদের কোর্সে চারটা সেমিস্টার। প্রতিটি সেমিস্টার ২৪ সপ্তাহ করে।

সেমিস্টারসমুহ হচ্ছেঃ
১। ফ্রন্ট অফিস এন্ড সেক্রেটারিয়াল অপারেশন এবং হাউসকিপিং।
২। ফুড এন্ড বেভারেজ প্রোডাকশন এন্ড সার্ভিস এবং বেকারি এন্ড পেস্ট্রি প্রোডাকশন।
৩। সুপারভাইজিং এবং ট্যুরিজম
৪। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাচমেন্ট ।

খরচের কথা বাদ দেই কেন। দুই বছরের এই আন্তর্জাতিক মানের (ILO স্বীকৃত) এই কোর্সের জন্য খরচ হবে ১ লক্ষ ৬০,০০০(৭০,০০০+৩০,০০০+৩০,০০০+৩০,০০০)

এছাড়াও আপনি চাইলে ১৬ সপ্তাহের ন্যাশনাল সার্টিফিকেট কোর্স করতে পারেন যেকোন একটি বিষয়ের উপর। বিষয়গুলো হলঃ
১। ফ্রন্ট অফিস।
২। হাউসকিপিং।
৩।ফুড এন্ড বেভারেজ প্রোডাকশন।
৪। ফুড এন্ড বেভারেজ সার্ভিস।
৫।বেকারী ও পেস্ট্রি প্রোডাকশন।

এবং আরো দুইটি এক বছরের ডিপ্লোমা কোর্স রয়েছে। কোর্সগুলো হলঃ
১। ডিল্পোমা ইন ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম।
২। প্রফেশনাল সেফ কোর্স।

বর্তমান সেমিস্টার যেমন যাচ্ছে….
– কয়েকদিন আগে বর্তমান সেমিস্টার শুরু করেছি । আমি বর্তমানে ২য় সেমিস্টারে।আগেই যেহেতু কয়েকটা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল না এবং সেই বিষয়গুলোর কিছু অংশ ছাড়া পড়তে তেমন মজা পাই না তাই প্রথম দিককার ক্লাস গুলো একধরনের ঘুমিয়েই কেটেছে। তবে এখন মজা পাওয়া শুরু করেছি ( বিষয়গুলো যতটা খারাপ ভেবেছিলাম ততটা না) কিন্তু রোজার চাপে আবার অনেক কিছুই মাথায় ঢুকে না । গত সেমিস্টার বেশ ভালই কাটিয়েছি। ফলাফল ও ভাল হবে । দেখা যাক এই সেমিস্টারে কি হয়। বিশেষ করে ফুড প্রোডাকশনের প্রাক্টিকেল পরীক্ষাগুলোতে একটা ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা । তার উপর মাথায় প্রতি ছূটির দিনে আছে কেননা রান্নাবান্না আমার কম্ম নয় । ইউনিফর্ম ধোয়ার বাড়তি চাপ তো আছেই।

ক্যাম্পাসে প্রিয় টিচার, বন্ধু বান্ধব ও অন্যান্য কাছের মানুষ যারা আছে তাদের সম্পর্কে……
– প্রথমেই আসি শিক্ষক সম্পর্কে। কয়েকদিন আগে প্রিয় শিক্ষক নিয়ে ভোটাভুটি হয়েছিল(ছাত্ররাই করেছিলাম )। কিন্তু ভোট মাত্র একটা দেয়া যাবে। কিন্তু এখানে যেহেতু আমি স্বাধীন তাই একাধিক ভোট দিতে কোন বাধা নেই। কয়েকজন শিক্ষক ছাড়া আমার অনেক শিক্ষক পছন্দ তবে যাদের নাম উল্লেখ না করলেই নয় তারা হচ্ছেনঃ মিজান স্যার (খুব রাগী স্বভাবের কিন্তু কেন জানি তার ক্লাসের লেকচার শুনার জন্য চোখের পলক ফেলতে পারি না), শহীদ স্যার ( পড়াশুনার মাঝামঝি প্রচুর হাসায় তাই মনোযোগ ভাল থাকে), এছাড়া রয়েছিলেন (এখন অবসরপ্রাপ্ত ) রুবি আফরোজ ম্যাডাম (বড়ই মিস করি তার ক্লাসগুলো)।

বন্ধুবান্ধব এর কথা বলতে গেলে আমরা সবাই । ৩৬ জনের একটা বাস যাদের মধ্যে প্রায়ই বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ হয়, কিন্তু ওই তর্কটাকে আমরা এনজয় করি । তাছাড়া ক্লাসে পচানো, কাউকে নিয়ে রম্য এগুলা তো হয়ই ।

কাছের মানুষ হিসেবেও আমরা সবাই। তবে সবচেয়ে কাছের মানুষ হিসেবে বলা যায় রাশেদ(একই মেসে থাকি ) , বিপুল (কিভাবে যেন ভাল বন্ধু হয়ে গেছি ) । ওদের দুইজনের মাঝে ঝগড়া চলতেই থাকে । আর এক জনের কথা বলা যেতে পারেঃ শহীদ স্যার ।

ক্যাম্পাসে হয়ে যাওয়া কোন বিশেষ প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠান সম্পর্কে স্মৃতিচারন…..
– ক্যাম্পাসে আসার পর এ পর্যন্ত একটা প্রোগ্রাম হয়েছে (আমাদের নবীন বরন)। আরেক টা হতে গিয়েও হরতালের কারনে হয় নাই। আর নবীন বরন অনুষ্ঠান টা খুব একটা উপভোগ করতে পারি নাই। কেননা আমি একদমই নতুন । তাই নার্ভাস ছিলাম। তবে আমাদের অধ্যক্ষের বক্তব্যটা বেশ মজার ছিল। তিনি যেন আমাদের জীবনের সার্থকতা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন।

ক্যাম্পাসে যাওয়া থেকে একদম বাসায় ফিরে আসা পর্যন্ত প্রতিটা দিন যেভাবে কাটে……
– আমার ক্লাস সপ্তাহে ৫ দিন, রবি থেকে বৃহস্পতি । প্রতিদিন রাশেদ ঘুম থেকে উঠায়। ঊঠে গোসল করে ক্যাম্পাসে যাই। মেস হতে বেশি দূরে না ক্যাম্পাসটা। ক্লাস শেষের দিকে চলে আসলে যেন তর সয়না। আর প্রাক্টিকেল ক্লাসে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে অতিষ্ঠ হয়ে যাই।

ওহ! বলাই হয়নি আমি ইভিনিং ব্যাচে পড়ি। ক্লাস শুরু হয় ৩ টায় শেষ হয় ৭টা ৪০ এ। রোজার মাসে অবশ্য ১টা ৩০ হতে ৫ টা ৩০ পর্যন্ত ক্লাস ।

প্রথম ভর্তি হবার পর দেখা ক্যাম্পাস আর এখনকার ক্যাম্পাসের পার্থক্য …….
– প্রথমে ভর্তি হওয়ার পরে মনে হয়েছিল চরম ভুল করে ফেলেছি। কয়েকটা বিষয় নিয়ে খুবই নার্ভাস ছিলাম। যাই হোক আস্তে আস্তে ক্যাম্পাস টাকে ভাল লাগতে শুরু করল। এখন মনে হচ্ছে না আমি ভুল করি নাই। এটা আমার জীবনের উন্নতির জন্য অন্যতম সহায়ক একটা সিদ্ধান্ত। আর হ্যা অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিককার ক্লাসে অনেক ছাত্র থাকে আর শেষে ছাত্র কমে যায়। কিন্তু আমাদের ইন্সটিটিঊটে এটা হয় নাই। ও হ্যা আরেকটা কথা ,আমাদের ইভিনিং ব্যাচে কোন মেয়ে নাই এবং আমি এটাকে খুব ভালভাবেই নিয়েছি ।

ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া বিশেষ কোন মজার ঘটনা………..
– মজার ঘটনা প্রতিনিয়ত একটার পর ঘটতে থাকে। কিন্তু সব কটা মনে রাখার মেমরি এবং লেখার জায়গাও পাওয়া যাবে না । তবে সবচেয়ে বেশি যে ঘটনাটি ঘটে সেটি উল্লেখ করছি । আমারা ইভিনিং ব্যাচ এ পড়ি। ( ৩ টা- ৭টা ৪০ ক্লাস ) ক্লাস থেকে বড়ি ফিরার অনেক আগেই অন্ধকার হয় । আবার মাঝে মাঝে অডিও ভিজুয়াল ল্যাব এভাবেই অন্ধকার রাখা হয়। তো হটাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে কে কি করে বুঝা যায় না। তবে সবার আগে মাথা সেভ রাখতে হয় । না হলে পীঠে ধুপ ধাপ । ১ মিনিট এর ভিতর জেনারেটর এসে পড়ে । তখন সব ঠিক ঠাক ।

ক্যাম্পাসের যে দিকটি সবচে বেশি ভাল লাগে………
-ক্যাম্পাসটার প্লাস পয়েন্ট হলো এটার রুম গুলো অনেক বড় । এবং বাহিরে অনেক খোলামেলা যায়গা আছে । ব্রেক এর সময় হাটা হাটী করা যায় । তাছাড়া সমস্ত প্রাক্টীকেল ক্লাস এবং থীওরি ক্লাস এর কক্ষসমুহ কাছাকাছি ।

যে দিকটি একদমই ভাল লাগে না……….
– কক্ষসমুহে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটর নেই । এসি চলে গেলে গরম বেশী লাগে।

বর্তমান ক্যাম্পাসের উন্নতিতে কোন মতামত বা পরামর্শ…....
– আসলে এই ক্ষেত্র বলার তেমন কিছুই নেই। তবে দুই একটা জিনিস (যেমনঃ কয়েকটি হ্যান্ডআউটস, কম্পিঊটার ) একটু ব্যাকডেটেড। আপডেট করা জরুরি ।

ছবিগুলো তোলার সময়কার অভিজ্ঞতা ……
– ক্লাসের ফাকে ফাকে তুলেছি । তবে প্রত্যেকবারই ভয়ে ছিলাম । কে কি বলে না বলে।

এবার আমার ছবিগুলো দেবার পালা । আগেই বলে রাখি । ছবিগুলো কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ক্যামেরা দিয়ে তোলা । tongue


Students Serving Teachers by Ahmad Firoz, on Flickr
একে বলা হয় সার্ভিং । এটা কিন্তু NCCর পরীক্ষার সময় তোলা। tongue


One Side of kitchen by Ahmad Firoz, on Flickr
ট্রেইনিং কিচেন এর একটা সাইড ।


Students Testing Food by Ahmad Firoz, on Flickr
কষ্ট করে খাবার তৈরির পর এটাই সবচেয়ে মজা । নিজেদের তৈরি খাবার নিজেরাই খাই smile

another side of kitchen by Ahmad Firoz, on Flickr
কিচেনের আরেকটা সাইড । এখানে ঠান্ডা বোধ হয় একটু বেশি ।


Refrigerator of Bakery & Pastry by Ahmad Firoz, on Flickr
বেকারি ও পেস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের অনেক দামি দামি কাচামালের আখড়া tongue


Photos smile by Ahmad Firoz, on Flickr
বেকারি ও পেস্ট্রি ডিপার্টম্যান্টের একসাইডে দেখলাম টানাইয়া রাখছে ।


Staircases by Ahmad Firoz, on Flickr
আমাদের সিড়ী । এখন শান্তিতে ঊঠি নামি । কিন্তু ভর্তি পরীক্ষার সময় এই সিড়ীর একটা ধাপ পার হতাম আর বুকটা ধুপ করে ঊঠতো ।


Corridor by Ahmad Firoz, on Flickr
করিডোর smile


Our classroom by Ahmad Firoz, on Flickr
আমাদের ক্লাসরুম smile । বাদরামির আড্ডাখানা । tongue


Side view of NHTTI by Ahmad Firoz, on Flickr
এক সাইড হতে এন এইচ টি টি আই কিরকম দেখা যায়? tongue


One part of language Lab by Ahmad Firoz, on Flickr
ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যবে বসা । tongue


Kitchen by Ahmad Firoz, on Flickr
কিচেন ! ট্রেইনিদের ।


Library . by Ahmad Firoz, on Flickr
লাইব্রেরি । smile

আসল টপিকঃ আমি ও আমার ক্যাম্পাস পর্ব ৫ 

NHTTI সম্পর্কে আরো জানতে যেতে পারেন ওদের ওয়েবসাইটেঃ http://www.nhtti.org

দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকায় ভুয়া খবর এবং বিদ্যালয়ের মানহানি ।

আমি ভেদরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র । এবং আমার বাবা ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ! তো যাই হোক আসুন আমরা আগে খবর টা দেখি এবং সাংবাদিক কি লিখে সেটা বিচার করি ।

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র পেটানো ও ছাত্রীর সঙ্গে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ
ভেদরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

নিজস্ব সংবাদদাতা, শরীয়তপুর, ২২ সেপ্টেম্বর ॥ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা ও শিক্ষকদের প্রতি এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি থাকা সত্ত্বেও জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলা সদরে ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র খালিদ নুর তনুকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে বিদ্যালয়ের ২ শিক্ষক। তাদের কোচিংয়ে ভর্তি না হওয়া ও তাদের নিকট প্রাইভেট পড়তে না যাওয়ার জের ধরে শিক্ষকদ্বয় এ ঘটনা ঘটায়। আহত ছাত্র খালিদ নুর তনুকে চিকিৎসার জন্য ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নির্যাতিত ছাত্রের পিতা নুর মোহাম্মদ বুধবার রাতে ভেদরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয় হলেন বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক মোঃ ফারুক হোসেন ও খ-কালীন শিক্ষক মাসুম। ঘটনার পর থেকেই মাসুম পলাতক। একই বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের সময় অশস্নীল আচরণ করেছেন আরেক শিক্ষক ফারুক হোসেন। এ ব্যাপারে ছাত্রীর মা শাহানাজ বেগম বুধবার প্রধান শিক্ষকের নিকট বিচার দাবি করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন এবং ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে বের দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রব মিয়া। বৃহস্পতিবার ঐ ছাত্রীর মা শাহানাজ বেগম তাঁর মেয়ের নির্যাতনের ঘটনা উলেস্নখ করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, মেয়র ও থানাসহ বিভিন্ন শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
জানা গেছে, ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রব মিয়া বিদ্যালয়ের ২/৩টি কক্ষ দখল করে আবাসিক কোচিং সেন্টার খুলেছেন। প্রধান শিক্ষকের এই কোচিং সেন্টারে বিদ্যালয়ের সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক মোঃ ফারুক হোসেন ও খ-কালীন শিক্ষক মাসুমসহ অন্য শিক্ষকরা পাঠদান করেন। বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ক্লাস নিতে যান খ-কালীন শিক্ষক মাসুম। তিনি অপর শিক্ষক ফারুক হোসেনের প্ররোচনায় পড়া না পাড়ার অজুহাতে ও প্রধান শিক্ষকের কোচিং সেন্টারে ভর্তি না হওয়ার কারণে খালিদ নুর তনুকে বেত ও ডাস্টার দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটাতে থাকেন। এতে রক্তাক্ত জখম হয়ে এক পর্যায়ে খালিদ নুর তনু মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়।

সুত্রঃ http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&dd=2011-09-23&ni=71695

১। তনু যদি গুরুতর আহত হয়ে থাকে তাহলে আজ ওকে সাইকেল দিয়ে ঘুরতে দেখল কিভাবে ( আমার ভাই )।একদিনের মাথায় হাসপাতাল পিটাপিটির জখম এবন অজ্ঞান ছাত্রকে ঠিক করে দেয়। tongue নতুন ডিজিটাল পদ্ধতি ।

২। বিনা বেতনে পড়ালে সেটা কিভাবে কোচিং হয় সেটা আমার জানা নেই । প্রধান শিক্ষক কয়েকটা অতি খারাপ ছাত্রদের পড়াশুনার উন্নতির জন্য নিজে কষ্ট করে বিনা বেতনে কোচিং করান এবং আবাসিক থাকার ব্যাবস্থা করার উদ্যোগ নেন(অতিরিক্ত কয়টা কক্ষে ) । উল্লেখ্য এই প্রধান শিক্ষক আসার পরে বিদ্যালয়ের ফলাফল ক্রমাগত ভাল হতে থাকে । গত বছর JSC পরীক্ষায় বিদ্যালয় হতে বৃত্তি পায় ১৯ জন ( শরীয়তপুর জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ) এবং এস এস সি পরীক্ষায় ৪ টা জিপিএ৫ সহ পাশের হার ৯১%। উল্লেখ্য এই প্রধান শিক্ষক আসার পুর্বে এই বিদ্যালয়ের নাম শরীয়তপুরের সেরা ১০ এও ছিল না । এবং এই প্রধান শিক্ষকের আমলেই বিদ্যালয়ে প্রথম দ্বীতল ভবন হয় এবং ত্রিতল ভবন নির্মানাধীন রয়েছে ।

৩।বিদ্যালয়ে এমপিও ভুক্ত শিক্ষক(সরকার অনুমোদিত) মাত্র ১২ জন ! ছাত্র সংখ্যা ১২০০ । সরকারের কাছে এবং শিক্ষামন্ত্রির কাছে প্রশ্ন ১২০০ ছাত্রকে কিভাবে ১২ জন শিক্ষক দ্বারা উন্নতমানের পাঠ দান করা যায়? তাই খণ্ডকালিন শিক্ষকের উদ্যোগ গ্রহন। এবং যেহেতু এই খন্ডকালীন শিক্ষক সরকারের এমপিওর বাইরে তাই সরকারী নিয়ম কানুন তার ক্ষেত্র কতটুকু প্রযোয্য তা নিয়ে প্রশ্ন রইল ? যদিও মাসুম তনুকে পিটান নি এবং তিনি পলাতকও নয় ( একটু আগেই তার সাথে ফোনে কথা হয়েছে।)

৪।এবার আসি মেয়ের বিষয়ে, মেয়ের ক্ষেত্রে ঘটনা হচ্ছে ও পড়া না পাড়ায় টেনশনে নাকি ক্লাসেই মাথা ঘুরে পড়ে যায়। তারপর এই লাঞ্ছিত করার অভিযোগ করে ( হয়তো সংবাদপত্রে নাম ঊঠার জন্য ) । মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে অন্যান ক্লাসমেট এবং শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করে । এ ধরনের বিনা কারনা লাঞ্ছনার অভিযোগ আনলে কার না মাথা খারাপ হয় । প্রধান শিক্ষকের ক্ষেত্রেও ব্যাতিক্রম নয় ।

এবার বলুন সাংবাদিকরা কিভাবে গল্প বানায় । সংবাদপত্র একটা জানার মাধ্যম ।তাতে যদি এইভাবে ভুয়া খবর ছড়িয়ে ভাল একটা বিদ্যলয়ের মানহানি করা হয় আমার মতে ওই সংবাদ দাতা কে বরখাস্ত করা উচিত। যাই হোক এই সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ।

[বিঃদ্রঃ আমি সাধারনত এই সব বিষয় নিয়ে কম ঘাটাঘাটি করি কিন্তু এক্ষেত্রে না করে পারলাম না ।
এবং এই লেখাটি যে যেভাবে পারুন অনুগ্রহ করে শেয়ার করুন। ]

খোলা ডায়েরী; পর্ব = 0; ঈদ উৎযাপন।

শুরু করছি ত্রিনিত্রির রাশিমালার প্রথম ধারাবাহিক লিখা খোলা ডায়রি। এটা অনেকটা ব্যাক্তিগত ডায়েরির মতই তবে অন্তর্জাল জ্বগৎ এর সকল বাংলা পাঠকরা পরতে পারবেন। আমার জীবনে বিভিন্ন দিন ঘটে যাওয়া কাহীনি গুলোই এখানে থাকবে। তবে পরবর্তি পর্ব কবে প্রকাশিত হবে তা নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাবে না। উল্লেখযোগ্য ঘটনা হুলেই সেটা এখানে লিখা হবে।এই পর্ব গুলো (পর্ব ০ বাদে)একই সাথে প্রজন্ম ফোরামে  এবং আমার ব্লগে প্রকাশিত হবে।

আজ শুন্য তম পর্বে আমি আমার ঈদ উৎযাপনের কিছু কথা লিখবঃ

১.সকালে ঘুম থেকে উঠলাম ফরহাতের রেসলিং মাইরের ঠেলায় উঠেই দেখি ৮ টা ৩০. তো তাড়াতাড়ি গোসল করে নামাজে গেলাম। গিয়ে প্যন্ডেলে জায়গা না পেয়ে রোদেই দাড়ালাম।

২. তো নামাজ পড়ে আসার সময় কয়েকজনের সাথে কোলাকুলি এবং এক রকম বাধ্য হয়েই তাদের দাওয়াত গুলা রিজেক্ট করতে হল।  b-( তখন চিন্তা করি “সব দাওয়াত কেন (!) যে ঈদের দিনে আসে। এক এক দিন এক এক টা আসলেই হয় :S ।”

৩. তো বাসায় আইসা আগে বাসার জিনিস কটা টেস্ট করলাম। এরপর মনির ভাইয়া ( কাজিন ) এল। আরো অনেক কাজিন এসেছে কিন্তু মনির ভাইয়ের সাথে সারাদিন ছিলাম বলে তার নামটাই উল্লেখ করলাম ।

৪. এস এম এস কয়েকটা (!) (দুঃখের ব্যাপার হল কোন ফোরামিক এর কাছ থেকে পাই নাই ) পেলেও রিপ্লাই করা হয় নাই। কল রিসিভ করেছি মোট ২১ টার মত । দুইজন ফরেনার ও ছিল 🙂 ।

৫.এরপর মনির ভাইয়া প্রস্তাব করল ছওগা কাজিনের বাসায় নাকি ওনারা সবাই যাচ্ছে। আমি আর ফরহাত ( আমার ছোট ভাই ) না গেলে কেমন দেখায় ? যায়গাটার নাম বহুবার শুনলেও এবং কাছে হলেও কখনো যাওয়া হয় নাই, তাই আর চান্স টা মিস করলাম না ।

৬.ছবি তুলেছি ৫-৬ টার মত কিন্তু নিজের কোন প্রোট্রেট তোলা হয় নাই।

৭. সেলামী এবার পাই নাই।বেশি বড় হয়ে গেছি এরকম মনে হওয়ায় সেলামি চাই নাই 😦 ।\

৮.আরো কয়েক কাজিনের বাসায় যাওয়ার পর বিকালে এসে কথা মত ফ্রীস্টাইল এবং ব্রেকড্যান্স :)।

৯.পরিশেষে সারদিন খাওয়ার ফলে বাথরুম গমন এবং ভেঙ্গুর নামের কীট এর কামড় খাইয়া আংগূল ফুলে কলাগাছ:P ।

ভ্রমন বাংলাদেশঃ শরীয়তপুর জেলা(প্রজন্মের ভ্রমন বাংলাদেশ সিরিজের একটা অংশ ।)

বহুদিন ধরে এটা নিয়ে লিখব লিখব করেও লেখা হচ্ছিল না । আসলে ছবি গুলো আনএক্সপেক্টেড ভাবে হারিয়ে যাওয়ার ফলে খেই হারিয়ে ফেলেছিলাম।। যাক এখন আসল কথায় আসি।আমার জন্মস্থান এর কথা ।

শরীয়তপুর সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ
১। ইতিহাসঃ ইতিহাস সমৃদ্ধ বিক্রমপুরের দক্ষিণাঞ্চল এবং প্রাচীন বরিশালের ইদিলপুর পরগণার কিছু অংশ নিয়ে বর্তমান শরীয়তপুর জেলা গঠিত। বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামে শরীয়তপুরবাসীর ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে জেলাটি ফরিদপুরের মাদারীপুর মহকুমার অন্তর্ভূক্ত ছিল। ১৯৭৭ সালের ৩ নভেম্বর বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহর নামানুসারে শরীয়তপুর  নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪ সালে শরীয়তপুর জেলায় উন্নীত হয়।^১

২।ভৌগলিক অবস্থানঃ শরিয়তপুর জেলার উত্তরে মুন্সীগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরিশাল জেলা ও ঝিনাইদহ জেলা, পুর্বে চাঁদপুর জেলা এবং পশ্চিমে মাদারীপুর জেলা।^২

৩।প্রশাসনিক এলাকাসমুহঃ শরিয়তপুর জেলা ৭টি উপজেলা, ৫টি মিউনিসিপ্যালিটি, ৬৪টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৫টি ওয়ার্ড, ৯৩টি মহল্লা, ১২৩০টি গ্রাম এবং ৬০৭টি মৌজা নিয়ে গঠিত।
এই জেলা ছয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এগুলো হল,
জাজিরা উপজেলা
শরিয়তপুর সদর উপজেলা
গোসাইরহাট উপজেলা
ডামুড্যা উপজেলা
ভেদরগঞ্জ উপজেলা
নড়িয়া উপজেলা
সখীপুর উপজেলা^২

ঢাকা হতে যাতায়াত পদ্ধতিঃ
ঢাকা হতে শরীয়তপুর জেলায় দুইভাবে যাওয়া যায়ঃ
১। সায়াদাবাদ বাসস্টান্ড হতে।
২। গুলিস্তান হতে।
আপনাকে প্রথমে গুলিস্তান অথবা সায়াদাবাদ পৌছাতে হবে। এরপর মাওয়া ঘাট এর বাস এ উঠতে হবে। অনেক পরিবহন পাবেনঃ বি আর টী সি, ইলিশ, গ্রেট বিক্রমপুর,আনন্দ ইত্যাদি। এরপর আপনাকে লঞ্চে অথবা স্পীডবোটে পদ্মা পার হতে হবে। মংগল মাঝির ঘাটের লঞ্চ অথবা স্পীডবোট দিয়ে যাবেন।মঙ্গল মাঝি ঘাটে পৌছানোর পর শরীয়তপুর এর বাস,মোটরসাইকেল এবং টেম্পু পাবেন।

দর্শনীয় স্থানঃ

মগরঃ প্রখ্যাত কবি ও গীতিকার অতুল প্রসাদ সেনের জন্মস্থান। মাতৃভাষা বাংলার প্রতি তাঁর
গভীর শ্রদ্ধা । তাঁর রচিত অমর গান ‘‘মোদের গরব মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা’’^১

মহিষারের দীঘিঃ দক্ষিণ বিক্রমপুরের এককালীন প্রখ্যাত স্থান। চাঁদ রায়, কেদার রায়ের নির্দেশে এখানে পানীয় জলের জন্য কয়েকটি দীঘি খনন করা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ হতে এখানে এক সপ্তাহের জন্য মেলা হয়। দিগম্বরী সন্ন্যাসীর মন্দিরও এখানে রয়েছে। সুপ্রসিদ্ধ নৈয়ায়িক গঙ্গাচরণ ন্যায় রত্নের বাসস্থান। লোকমুখে শুনা যায় এই দিঘী থেকে নাকি দরিদ্রদের বিয়ের সময় দিঘীর কাছে চাইলে থালা বাসন এবং খাবার জিনিস আসত । কিন্তু একবার জণৈক মহিলা একটা প্লেট রেখে দেয়ার পর এখন আর আসে না।

রাজনগরঃ বৈদ্য প্রধান স্থান। ফরিদপুরের ইতিহাস লেখক আনন্দ চন্দ্র রায়, ঢাকার ইতিহাস লেখক যতীন্দ্র নাথ রায় ও ঢাকার বিশিষ্ট উকিল গুপ্ত এর জন্মস্থান। এখানকার অভয়া ও শিবলিঙ্গ বিখ্যাত।

কুরাশিঃ রাজা রাজবল্ল¬ভের বংশধরগণের কেউ কেউ এখানে বাস করতেন বলে জানা যায়। বেশ কয়েকটি মন্দির ও শিবলিঙ্গ মূর্তি এখানে রয়েছে।

বুড়ির হাটের মসজিদঃ জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার বুড়ির হাট মসজিদটি খুবই বিখ্যাত এবং ইসলামী স্থাপত্যকলার নিদর্শন।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি শরীয়তপুর সদর হয়ে বুড়ির হাট মসজিদ।
সম্ভাব্য খরচঃ২০০(দুইশত)টাকা।
আবাসন ব্যবস্থাঃ শরীয়তপুর সদর ব্যতীত বুড়ির হাট থাকার কোন সু-ব্যবস্থা নেই।
https://i2.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/burirhat.jpg

হাটুরিয়া জমিদার বাড়িঃ
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি শরীয়তপুর সদর হয়ে গোসাইরহাট উপজেলার হাটুরিয়া জমিদার বাড়িতে যাওয়া যাবে।
সম্ভাব্য খরচঃ ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা।
আবাসন ব্যবস্থাঃ গোসাইরহাট উপজেলায় থাকা খাওয়ার কোন সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i1.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/haturia.jpg

রুদ্রকর মঠঃ দেড়শত বছরের পুরনো এই মঠটি শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নে অবস্থিত। এই মঠটি দেখার জন্য বহু লোক আসে।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি শরীয়তপুর সদর বাসস্টান্ড থেকে মনোহর বাজার দিয়ে বালার বাজার নেমে রুদ্রকর মঠ যাওয়া যাবে।
সম্ভাব্য খরচঃ ২০০ (দুইশত) টাকা আবাসন ব্যবস্থাঃ শরীয়তপুর সদর উপজেলায় থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i2.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/Rudrakorer.jpg

রাম সাধুর আশ্রমঃ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নে অবস্থিত। এখানে শত বছরের পুরানো এই আশ্রমটি এই ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নই গোলক চন্দ্র সার্বভৌম ও শ্রীযুক্ত কালি কিশোর স্মৃতি রত্ন মহাশয়ের বাসস্থান। প্রতি বছর শীতের শেষে এই আশ্রমকে কেন্দ্র করে তিন দিনের মেলা বসে। এ ছাড়াও ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের কার্তিকপুরের জমিদার বাড়ি বিখ্যাত।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলার হয়ে ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের রামসাধুর আশ্রমে যাওয়া যাবে।
সম্ভাব্য খরচঃ ২২০ (দুইশত বিশ) টাকা
আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলা ও রামসাধুর আশ্রমে থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i2.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/ramsadur.jpg

জমিদার বাড়ীঃ শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত ছয়গাঁও ইউনিয়নে জমিদার বাড়ী অবস্থিত।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি ভেদরগঞ্জ উপজেলা হয়ে ছয়গাঁও ইউনিয়নের জমিদার বাড়ীতে যাওয়া যাবে।
সম্ভাব্য খরচঃ ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা
আবাসন ব্যবস্থাঃ ভেদরগঞ্জ উপজেলায় থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i0.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/parjatan.jpg

মানসিংহের বাড়ীঃ নড়িয়া উপজেলায় ফতেজংগপুর ঐতিহাসিক মানসিংহের দুর্গের ভগ্নাবশেষ রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলার হয়ে ফতেজংগপুর ইউনিয়নের মানসিংহের দুর্গের ভগ্নাবশেষ এর স্থানে পৌছানো যাবে।
সম্ভাব্য খরচঃ ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা
আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলায় থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i0.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/mansingh.jpg

শিবলিঙ্গঃ উপমহাদেশের শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নে কষ্ঠিপাথরের সর্ববৃহৎ শিবলিঙ্গটি পাওয়া গেছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলার  ভোজেশ্বর এর শিবলিঙ্গের কাছে পৌছানো যাবে।
সম্ভাব্য খরচঃ ২০০ (দুইশত) টাকা
আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলায় থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i2.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/sib.jpg

সুরেশ্বর দরবার শরীফঃ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরে মাওলানা জান শরীফের মাজার অবস্থিত। এখানে প্রতি বছর শীতের শেষে তিন দিনের ওরশ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং বহু ভক্তের সমাগম হয়।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলায় পৌছানোর পর ট্যাম্পু বা বেবী যোগে সুরেশ্বর দরবার শরীফ এ পৌছানো যাবে অথবা ঢাকার সদর ঘাট হতে লঞ্চ যোগে সরাসরি সুরেশ্বর লঞ্চ ঘাটে নামার পর রিক্সা যোগে দরবার শরীফ এ যাওয়া যাবে।
সম্ভাব্য খরচঃ ২০০ (দুইশত) টাকা, নদী পথে ১০০ (একশত) টাকা।
আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলাসহ উক্ত দরবার শরীফে থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i2.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/surasor.jpg

পন্ডিতসারঃ এই স্থানে শ্যামপুরি হুজুরের মাজার শরীফ অবস্থিত। পৃথিবীর বহুস্থান থেকে এখানে লোক সমাগম হয়ে থাকে। প্রতি বছর ১১ পৌষ হতে তিন দিনের ওরস হয়। এ ছাড়া  পহেলা জ্যৈষ্ঠ তারিখে হযরত শাহ্ সূফি সৈয়দ গোলাম মাওলা হোসায়নী চিশতী শ্যামপুরী (র:) বা শ্যামপুরী হুজুর এর আবির্ভাব দিবস হিসেবে রোজে মোকাদ্দাস দিবস হিসাবে পালিত হয়।এছাড়াও এখানে ১০০ বছরের ও বেশি পুরোনো পন্ডিতসার উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলায় পৌছানোর পর ট্যাম্পু বা বেবী যোগে পন্ডিতসার মাজার শরীফ এ পৌছানো যাবে অথবা ঢাকার সদর ঘাট হতে লঞ্চ যোগে সরাসরি সুরেশ্বর লঞ্চ ঘাটে নামার পর ট্যাম্পু যোগে পন্ডিতসার মাজার শরীফ এ যাওয়া যাবে।
সম্ভাব্য খরচঃ ২৪০ (দুইশত চল্লিশ) টাকা, নদী পথে ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) টাকা।
আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলাসহ উক্ত মাজার শরীফে থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i1.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/ponditsar.jpg

ধানুকার মনসা বাড়িঃ চন্দ্রমনি ন্যায়, ভুবন হরচন্দ্র চুড়ামনি ও মহোপাধ্যায়, শ্রীযুক্ত বামাচরণ ন্যায় প্রভৃতির জন্মস্থান ধানুকায়। এখানকার শ্যামমূর্তি জাগ্রত দেবতা বলে কিংবদন্তী রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আসার পর রিক্সা যোগে ধানুকা মনসা বাড়ি যাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
সম্ভাব্য খরচঃ ১৮০ (একশত আশি) টাকা।
আবাসন ব্যবস্থাঃ শরীয়তপুর সদর উপজেলায় থাকা ও খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
https://i1.wp.com/www.dcshariatpur.gov.bd/images/stories/danuka.jpg

সুত্রঃ ১। শরীয়তপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
২। শরীয়তপুর জেলার উইকিপিডিয়া পেজ ।

বিঃদ্রঃ পুর্বে প্রজন্ম ফোরামে প্রকাশিত

Tagged , , , , ,

অ্যামবিগ্রাম’ নিয়ে কিছু কথা ও কিছু এম্বিগ্রাম

অ্যামবিগ্রাম কি ?
অ্যামবিগ্রাম (কখনও কখনও ইনভারশন নামেও পরিচিত হয়) এক ধরনের গ্রাফিক্যাল চিত্র বা লেখা যা একটি শব্দকে শুধুমাত্র এক দিক থেকে বানান করেনা বরং অন্য আরেকটি দিক বা অরিয়েন্টেশন থেকেও একইভাবে বানান করতে পারে। অথ্যাৎ যে শব্দ বা বাক্যকে একদিক থেকে পড়লে যেমন দেখায় উল্টা দিক থেকেও একই রকম দেখায় তাকে অ্যামবিগ্রাম বলে।

ambigram শব্দের একটি ঘূর্ণনশীল প্রতিসম অ্যামবিগ্রাম।

উৎপত্তিঃ
ইংরেজি ambigram শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। ambi শব্দের অর্থ উভয় এবং gram শব্দের অর্থ বর্ণ। দুটি মিলিয়ে দাড়াচ্ছে উভয় বর্ণ। অর্থাৎ একই শব্দ যদি দুই দিক থেকে একইভাবে পড়া যায় তবে তা-ই অ্যামবিগ্রাম। ১৯৮৩-১৯৮৪ সালের দিকে ডগলাস আর. হফস্টাটার সর্বপ্রথম অ্যামবিগ্রাম শব্দটি এভাবে প্রকাশ করেন। তিনা বন্ধুদের সাথে বোস্টনে প্রায়ই আড্ডা দিতেন। এই আড্ডা থেকেই কোন এক সময় শব্দটি উঠে আসে। কৃতজ্ঞতা স্বীকারকল্পে হফস্টাটার যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তারা হলেন; গ্রেগ হুবার, ডন বায়ার্ড, হেনরি লিবার্ম, বার্নি গ্রিনবার্গ ইত্যাদি ইত্যাদি। এরা সবাই তাঁর বন্ধুবান্ধব।( সুত্রঃ উইকিপিডিয়া)

অ্যামবিগ্রামের ধরণঃ
অ্যামবিগ্রামগুলোকে সাধারণ নিচের বিষয়শ্রেণীগুলোর যেকোন একটিতে বিভক্ত করা যায়:

১। ঘূর্ণনশীল:
এমন ধরনের নকশা যার ফলে কোন একটি শব্দকে অনুভূমিক দিক থেকে পড়ার পর একটি নির্দিষ্ট কোণে ঘুরালেও একইভাবে পড়া যাবে। এই কোণটি সাধারণ ১৮০°, অবশ্য অন্যান্য কোণবিশিষ্ট ঘূর্ণনশীল অ্যামবিগ্রামও রয়েছে; যেমন: ৪৫° এবং ৯০°। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট ঘোরানোর পর শব্দটি একই থাকে; কিন্তু মাঝেমাঝে শব্দের খানিক পরিবর্তন হতে পারে। এর একটি উত্তম উদাহরণ হচ্ছে: down শব্দের সংক্ষিপ্ত রুপ dn যাকে ১৮০° কোণে ঘুরালে পড়া যায় up.

চিত্রঃ ঘুর্ননশীল এম্বিগ্রাম।(Vegas)

২।দর্পণ:
এমন শব্দ যাকে কোন দর্পণের সামনে ধরে প্রতিবিম্ব করলেও একই বা সামান্য বিকৃতভাবে হলেও পড়া যায়। যে অ্যামবিগ্রামগুলোকে দর্পণ প্রতিবিম্ব করলে ভিন্ন শব্দের জন্ম দেয় তাদেরকে ‘গ্লাস ডোর অ্যামবিগ্রাম বলা হয়। কারণ এই অ্যামবিগ্রামগুলোকে কাঁচের দরজায় এমনভাবে ছাপানো সম্ভব যাতে ঢোকা এবং বেরনোর সময় ভিন্ন ভিন্ন ভাবে চোখে পড়ে।

চিত্রঃ দর্পন এম্বিগ্রাম(wiki)

ফিগার-গ্রাউন্ড:
এটি এমন নকশা যাতে এক শব্দের বর্ণগুলোর মধ্যবর্তী শূন্যস্থানের থেকে অন্য শব্দের বর্ণগুলোর মধ্যে শূন্যস্থান বেশী থাকে।

চিত্রঃ ফিগার গ্রাউন্ড এম্বিগ্রাম (thin)

শিকল:
এক্ষেত্রে একটি শব্দ বা অনেকগুলো শব্দ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি পৌনঃপুনিক শিকলের সৃষ্টি করে। একটি বর্ণ অন্যটির উপর পতিত হয় যার অর্থ দাড়ায় ককটি বর্ণ শেষ হওয়ার আগেই অন্য একটি বর্ণ শুরু হয়ে যায়। অনেকসময় এ ধরনের অ্যামবিগ্রামগুলো বৃত্তের আকৃতিতে উপস্থাপিত হয়।

চিত্রঃ শিকল এম্বিগ্রাম (sun)- সান মাইক্রোসিস্টেম এর লোগো

স্পেস-ফিলিং:
অনেকটি শিকল অ্যামবিগ্রামের মতই, তবে এক্ষেত্রে যে দ্বিমাত্রিক ক্ষেত্রে অ্যামবিগ্রামটি আঁকা হয় তার পুরো স্থান জুড়ে টালিকৃত বর্ণগুলো অবস্থান করে।

চিত্রঃ স্পেস ফিলিং এম্বিগ্রাম(orientation)

পৌনঃপুনিক জ্যামিতিক গঠন:
একে ফ্র‌্যাক্টাল অ্যামবিগ্রামও বলা হয়। এক ধরনের স্পেস-ফিলিং অ্যামবিগ্রাম যাতে টালিকৃত শব্দগুলো নিজেদের মধ্য থেকেই শাখা তৈরি করে এবং এরপর নিজেএর মতই আরেকটি রুপে পরিণত হয়। এর ফলে একটি ফ্র‌্যাক্টাল গঠিত হয়। স্কট কিম এ ধরনের অ্যামবিগ্রাম তৈরি করেছেন। তিনি TREE শব্দের একটি অ্যামবিগ্রাম করেছেন।

চিত্রঃ ফ্রাক্টাল এম্বিগ্রাম (tree)

ত্রিমাত্রিক:
একটি ত্রিমাত্রিক নকশা হিসেবে উপস্থাপন করা হয় যার বিভিন্ন কোণ থেকে দেখলে বিভিন্ন বর্ণ বা শব্দ পড়া যায়। constructive solid geometry ব্যবহার করে এ ধরনের অ্যামবিগ্রাম আঁকা যায়।

চিত্রঃ ত্রিমাত্রিক এম্বিগ্রাম (A,B,C)

পারসেপচুয়াল শিফ্‌ট:
এ ধরনের নকশায় কোন প্রতিসাম্য থাকেনা। কিন্তু একই শব্দকে দুটি ভিন্ন শব্দরুপে পড়া যায়। এই পড়ার বিষয়টি নির্ভর করে বর্ণের বিভিন্ন বক্ররেখাগুলো কিভাবে আঁকা হয়েছে তার উপর।

চিত্রঃ পারসেপচুয়াল শিফ্‌ট এম্বিগ্রাম(wave-particle) [বিঃদ্রঃ এইটা বুঝতে আমার কষ্ট হইছে ]  :-S

প্রাকৃতিক :
এমন ধরনের শব্দ বা বাক্য যা স্বাভাবিকভাবে লিখলেই উপরের যেকোন ধরনের অ্যামবিগ্রামের মত হতে পারে। এক্ষেত্রে কোন আলাদা নকশার প্রয়োজন নেই। উদাহরণস্বরুপ dollop এবং suns শব্দ দুটি এক ধরনের প্রাকৃতিক ঘূর্ণনশীল অ্যামবিগ্রাম। bud শব্দটিকে উলম্ব অক্ষের সাপেক্ষে দর্পণ প্রতিবিম্ব করলে একই রকম দেখায়। অতএব এটি প্রাকৃতিক দর্পণ প্রতিবিম্ব অ্যামবিগ্রাম। CHOICE শব্দটিকে বড় হাতের অক্ষরে লিখলে অনুভূমিক অক্ষের সাপেক্ষে একটি দর্পণ প্রতিবিম্ব অ্যামবিগ্রামে পরিণত করা যায়। TOOTH শব্দটিও দর্পণ প্রতিবিম্ব অ্যামবিগ্রাম। তবে এক্ষেত্রে উলম্ব অক্ষের সাপেক্ষে দর্পণ প্রতিবিম্ব করার আগে বর্ণগুলোকে সঠিকভাবে বিন্যস্ত করতে হবে।

চিত্রঃ প্রাকৃতিক এম্বিগ্রাম।
সুত্রঃ উইকিপিডিয়া ।

[u][b]অ্যামবিগ্রামের উদাহরণ:[/b][/u]
গ্রাফিক শিল্পীরা তাদের অনন্য প্রতিসাম্য প্রদর্শনের জন্য অ্যামবিগ্রাম ব্যবহার করে থাকে। এ কারণে লোগে, বইয়ের প্রচ্ছদ, গানের অ্যালবাম এবং বিভিন্ন ট্যাটুর নকশায় অ্যামবিগ্রাম থাকতে দেখা যায়।
অ্যামবিগ্রামের সবচেয়ে সুস্পষ্ট প্রতীকায়ন ঘটেছে মার্কিন ঔপন্যাসিক ড্যান ব্রাউন রচিত অ্যাঞ্জেল্‌স অ্যান্ড ডেমন্‌স নামক রোমাঞ্চকর উপন্যাসে। আমিও ওইখান থেকেই এগুলাই চিনি। এর প্রথম ব্রিটিশ মুদ্রণের প্রচ্ছদে বইয়ের নামটি অ্যামবিগ্রাম হিসেবে লেখা হয়েছে। এই বইয়ের জন্য অ্যামবিগ্রামগুলো এঁকে দিয়েছেন গ্রাফিক শিল্পী জন ল্যাংডন।সম্প্রতি জন ল্যাংডনের অ্যামবিগ্রাম বিষয়ক বই ওয়ার্ডপ্লে-এর পুনর্মুদ্রণেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।।
যে সমস্ত বইয়ে এম্বিগ্রাম ব্যাবহার করা হয়েছে,
১।Abarat, বইটির প্রচ্ছদে অঙ্কিত অ্যামবিগ্রাম রয়েছে। বইটির লেখক ক্লাইভ বার্কার
২।Angels and Demons, ড্যান ব্রাউন লিখিত বইটিতে ইলুমিনেটি নামক গুপ্ত সংগঠনের লোগো হিসেবে অ্যামবিগ্রাম ব্যবহৃত হয়েছে।
৩।Gödel, Escher, Bach, ডগলাস আর. হফস্টাটার লিখিত এই বইটিতে GEB-এই তিনটি বর্ণ দিয়ে ত্রিমাত্রিক অ্যামবিগ্রাম আঁকা রয়েছে।
৪।Justin Thyme বইয়ের প্রচ্ছদে। লেখক – পানামা অক্সরিজ
৫।Wordplay, জন ল্যাংডন লিখিত এই বইয়ে স্বয়ং লেখকের নামও অ্যামবিগ্রাম হিসেবে লেখা হয়েছে।
এছাড়াও অনেক সঙ্গীত ব্যান্ড এর লোগো এবং অনেক প্রতিষ্ঠানের লোগো তে এম্বিগ্রাম ব্যাবহার হচ্ছে ।

[u][b]আমার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম জুলিয়ান ( শখের এম্বিগ্রামিস্ট) এর করা কিছু এম্বিগ্রাম ( কাগজ এবং কলমের সাহায্যে করা ):[/b][/u]
এক বন্ধুর বাসায় স্ক্যানার ছিল । স্ক্যান করে এডীট করে উপরে লেখাগুলো লাগিয়েছি। আর হ্যা এগুলা কোন জায়গায় শেয়ার করলে লেখক এর নাম বাধ্যতামুলক।নিচের ফ্লিকার লিঙ্কটাতে গেলেই পাবেন ।

http://flic.kr/s/aHsjvRTXxU

পরিশেষে যারা পরেছেন তাদের কাছে লোডিং টাইম এবং বিরক্ত করার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি ধন্যবাদ।

বিঃদ্রঃ পুর্বে পোস্ট টি প্রজন্ম ফোরামে প্রকাশ করা হয়েছিল ।

Tagged , , , , , ,

ব্লগ লেখালেখি তে ফিরে আসব আশা করি।

আমার ওয়েবব্লগ ভিউয়াররা আশা করি ভালই আছেন । বহুদিন আগে এই ওয়েবব্লগ টা খুলে ভেবেছিলাম খুলে রেখে দেব। জাস্ট একটা ব্লগ । হিট বোধ হয় পরবে না । তাই হাতে গোনা  গুটি কয়েক পোস্ট করে রেখে দিয়েছিলাম । কিন্তু এতেই যে এত পরিমান হিট পরবে বুঝতে পারি নাই । তবে হ্যা হিট দেখে মনএস্থির করেছি নিয়মিত ব্লগ লিখব। এখন হতে নিয়মিত এখানে পোস্ট দেখতে পাবেন। ও হ্যা আপনাদের সুবিধার জন্য নতুন একটি সর্ট Url দিয়েছি।

URL: http://ahmadfiroz.tk

ভাল থাকবেন ,ধন্যবাদ।