Category Archives: অন্যান্য

আমি ও আমার ক্যাম্পাস (NHTTI ) [প্রজন্মে স্বপ্নিল ভাইয়ের সম্পাদনা করা আমি ও আমার ক্যাম্পাসের ধারাবাহিক পর্বের একটি পর্ব।]

ক্যাম্পাস এবং আমার সম্পর্কে স্বপ্নিল ভাইয়ের লেখাঃ

আজকের অতিথি আমাদের সবার চেনা জানা মুখ ত্রিনিত্রির রাশিমালা বা ফিরোজ। সে পড়াশোনা করছে NHTTI (NATIONAL HOTEL & TOURISM TRAINING INSTITUTE) তে।

আমি খুব অসুস্থ থাকায় তাকে খুব একটা সাহায্য করতে পারিনি, এজন্য আন্তরিকভাবে দু:খিত। তার উত্তরগুলো বেশ গোছানো, আমার কাছে অনেক ভাল লেগেছে, আর ছবিগুলোও বেশ সুন্দর। আমি ফিরোজের উপর বেশ সন্তুষ্ট। আমি শুধু ফিরোজের জন্যই অনলাইনে এসে এ টপিক করলাম, নাহলে টপিক খোলার মত অবস্থা আমার নেই। অসুস্থতার কারণে এর বেশি কিছু বলছি না। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

ক্যাম্পাস সম্পর্কে কিছু কথা………
-NHTTI এর সম্পর্কে প্রথম বলেন আমার বাবা। তারপর কিছুটা ইন্টারনেট ঘেটে খবর বের করে ভর্তি ফর্ম নিলাম। তারপর আরকি ভর্তি পরীক্ষা ,ভাইভা। ভাবিনি এটায় চান্স পাব। ভাবি নি কোর্স টা গতানুগতিক পড়ালেখার মত নয় , ভাবি নি এটা একটা প্রফেশনাল ইন্সটিটিঊট। আর হ্যা এটা কে আমি ও আমার ক্যাম্পাস সিরিজে দেয়া কতটুকু যুক্তিযুক্ত তাও ভাল করে ভাবিনি। NHTTI (NATIONAL HOTEL & TOURISM TRAINING INSTITUTE) হল এমন একটা প্রতিষ্ঠান যার গতানুগতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মত একাধিক ক্যাম্পাস নেই। আছে একটি যথার্থ সুযোগ সুবিধাযুক্ত ক্যাম্পাস, গুটিকয়েক ছাত্র-ছাত্রী এবং খুবই মানসম্মত (কম বলা হয়ে গেল) কয়রকজন শিক্ষক।সুযোগ সুবিধার মধ্যে শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম, কম্পিঊটার ল্যাব, প্রফেশনাল কিচেন, অডিও ভিজুয়াল ল্যাব, প্রফেশনাল বই এবং জানার জন্য যথেষ্ট বই সম্পন্ন একটি লাইব্রেরী ও ব্যাক্তিগত রেকর্ডিং বুথ সহ ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব এর কথা উল্লেখ করা যেতে পারে।

বর্তমানে পড়ালেখার বিষয়….……
-আমি পড়ছি ডিল্পোমা ইন হোটেল ম্যানেজম্যান্ট এ। কোর্সের সময় ২ বছর। ইন্সটিটিউটের সবচেয়ে বড় কোর্স এটা। একটা পাঁচ তারা হোটেল এর সকল সুযোগ সুবিধাধি সম্পর্কে জানা এবং সুযোগ সুবিধাদি দেয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় এই কোর্সে। আমাদের কোর্সে চারটা সেমিস্টার। প্রতিটি সেমিস্টার ২৪ সপ্তাহ করে।

সেমিস্টারসমুহ হচ্ছেঃ
১। ফ্রন্ট অফিস এন্ড সেক্রেটারিয়াল অপারেশন এবং হাউসকিপিং।
২। ফুড এন্ড বেভারেজ প্রোডাকশন এন্ড সার্ভিস এবং বেকারি এন্ড পেস্ট্রি প্রোডাকশন।
৩। সুপারভাইজিং এবং ট্যুরিজম
৪। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাচমেন্ট ।

খরচের কথা বাদ দেই কেন। দুই বছরের এই আন্তর্জাতিক মানের (ILO স্বীকৃত) এই কোর্সের জন্য খরচ হবে ১ লক্ষ ৬০,০০০(৭০,০০০+৩০,০০০+৩০,০০০+৩০,০০০)

এছাড়াও আপনি চাইলে ১৬ সপ্তাহের ন্যাশনাল সার্টিফিকেট কোর্স করতে পারেন যেকোন একটি বিষয়ের উপর। বিষয়গুলো হলঃ
১। ফ্রন্ট অফিস।
২। হাউসকিপিং।
৩।ফুড এন্ড বেভারেজ প্রোডাকশন।
৪। ফুড এন্ড বেভারেজ সার্ভিস।
৫।বেকারী ও পেস্ট্রি প্রোডাকশন।

এবং আরো দুইটি এক বছরের ডিপ্লোমা কোর্স রয়েছে। কোর্সগুলো হলঃ
১। ডিল্পোমা ইন ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম।
২। প্রফেশনাল সেফ কোর্স।

বর্তমান সেমিস্টার যেমন যাচ্ছে….
– কয়েকদিন আগে বর্তমান সেমিস্টার শুরু করেছি । আমি বর্তমানে ২য় সেমিস্টারে।আগেই যেহেতু কয়েকটা বিষয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল না এবং সেই বিষয়গুলোর কিছু অংশ ছাড়া পড়তে তেমন মজা পাই না তাই প্রথম দিককার ক্লাস গুলো একধরনের ঘুমিয়েই কেটেছে। তবে এখন মজা পাওয়া শুরু করেছি ( বিষয়গুলো যতটা খারাপ ভেবেছিলাম ততটা না) কিন্তু রোজার চাপে আবার অনেক কিছুই মাথায় ঢুকে না । গত সেমিস্টার বেশ ভালই কাটিয়েছি। ফলাফল ও ভাল হবে । দেখা যাক এই সেমিস্টারে কি হয়। বিশেষ করে ফুড প্রোডাকশনের প্রাক্টিকেল পরীক্ষাগুলোতে একটা ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা । তার উপর মাথায় প্রতি ছূটির দিনে আছে কেননা রান্নাবান্না আমার কম্ম নয় । ইউনিফর্ম ধোয়ার বাড়তি চাপ তো আছেই।

ক্যাম্পাসে প্রিয় টিচার, বন্ধু বান্ধব ও অন্যান্য কাছের মানুষ যারা আছে তাদের সম্পর্কে……
– প্রথমেই আসি শিক্ষক সম্পর্কে। কয়েকদিন আগে প্রিয় শিক্ষক নিয়ে ভোটাভুটি হয়েছিল(ছাত্ররাই করেছিলাম )। কিন্তু ভোট মাত্র একটা দেয়া যাবে। কিন্তু এখানে যেহেতু আমি স্বাধীন তাই একাধিক ভোট দিতে কোন বাধা নেই। কয়েকজন শিক্ষক ছাড়া আমার অনেক শিক্ষক পছন্দ তবে যাদের নাম উল্লেখ না করলেই নয় তারা হচ্ছেনঃ মিজান স্যার (খুব রাগী স্বভাবের কিন্তু কেন জানি তার ক্লাসের লেকচার শুনার জন্য চোখের পলক ফেলতে পারি না), শহীদ স্যার ( পড়াশুনার মাঝামঝি প্রচুর হাসায় তাই মনোযোগ ভাল থাকে), এছাড়া রয়েছিলেন (এখন অবসরপ্রাপ্ত ) রুবি আফরোজ ম্যাডাম (বড়ই মিস করি তার ক্লাসগুলো)।

বন্ধুবান্ধব এর কথা বলতে গেলে আমরা সবাই । ৩৬ জনের একটা বাস যাদের মধ্যে প্রায়ই বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ হয়, কিন্তু ওই তর্কটাকে আমরা এনজয় করি । তাছাড়া ক্লাসে পচানো, কাউকে নিয়ে রম্য এগুলা তো হয়ই ।

কাছের মানুষ হিসেবেও আমরা সবাই। তবে সবচেয়ে কাছের মানুষ হিসেবে বলা যায় রাশেদ(একই মেসে থাকি ) , বিপুল (কিভাবে যেন ভাল বন্ধু হয়ে গেছি ) । ওদের দুইজনের মাঝে ঝগড়া চলতেই থাকে । আর এক জনের কথা বলা যেতে পারেঃ শহীদ স্যার ।

ক্যাম্পাসে হয়ে যাওয়া কোন বিশেষ প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠান সম্পর্কে স্মৃতিচারন…..
– ক্যাম্পাসে আসার পর এ পর্যন্ত একটা প্রোগ্রাম হয়েছে (আমাদের নবীন বরন)। আরেক টা হতে গিয়েও হরতালের কারনে হয় নাই। আর নবীন বরন অনুষ্ঠান টা খুব একটা উপভোগ করতে পারি নাই। কেননা আমি একদমই নতুন । তাই নার্ভাস ছিলাম। তবে আমাদের অধ্যক্ষের বক্তব্যটা বেশ মজার ছিল। তিনি যেন আমাদের জীবনের সার্থকতা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন।

ক্যাম্পাসে যাওয়া থেকে একদম বাসায় ফিরে আসা পর্যন্ত প্রতিটা দিন যেভাবে কাটে……
– আমার ক্লাস সপ্তাহে ৫ দিন, রবি থেকে বৃহস্পতি । প্রতিদিন রাশেদ ঘুম থেকে উঠায়। ঊঠে গোসল করে ক্যাম্পাসে যাই। মেস হতে বেশি দূরে না ক্যাম্পাসটা। ক্লাস শেষের দিকে চলে আসলে যেন তর সয়না। আর প্রাক্টিকেল ক্লাসে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে অতিষ্ঠ হয়ে যাই।

ওহ! বলাই হয়নি আমি ইভিনিং ব্যাচে পড়ি। ক্লাস শুরু হয় ৩ টায় শেষ হয় ৭টা ৪০ এ। রোজার মাসে অবশ্য ১টা ৩০ হতে ৫ টা ৩০ পর্যন্ত ক্লাস ।

প্রথম ভর্তি হবার পর দেখা ক্যাম্পাস আর এখনকার ক্যাম্পাসের পার্থক্য …….
– প্রথমে ভর্তি হওয়ার পরে মনে হয়েছিল চরম ভুল করে ফেলেছি। কয়েকটা বিষয় নিয়ে খুবই নার্ভাস ছিলাম। যাই হোক আস্তে আস্তে ক্যাম্পাস টাকে ভাল লাগতে শুরু করল। এখন মনে হচ্ছে না আমি ভুল করি নাই। এটা আমার জীবনের উন্নতির জন্য অন্যতম সহায়ক একটা সিদ্ধান্ত। আর হ্যা অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিককার ক্লাসে অনেক ছাত্র থাকে আর শেষে ছাত্র কমে যায়। কিন্তু আমাদের ইন্সটিটিঊটে এটা হয় নাই। ও হ্যা আরেকটা কথা ,আমাদের ইভিনিং ব্যাচে কোন মেয়ে নাই এবং আমি এটাকে খুব ভালভাবেই নিয়েছি ।

ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া বিশেষ কোন মজার ঘটনা………..
– মজার ঘটনা প্রতিনিয়ত একটার পর ঘটতে থাকে। কিন্তু সব কটা মনে রাখার মেমরি এবং লেখার জায়গাও পাওয়া যাবে না । তবে সবচেয়ে বেশি যে ঘটনাটি ঘটে সেটি উল্লেখ করছি । আমারা ইভিনিং ব্যাচ এ পড়ি। ( ৩ টা- ৭টা ৪০ ক্লাস ) ক্লাস থেকে বড়ি ফিরার অনেক আগেই অন্ধকার হয় । আবার মাঝে মাঝে অডিও ভিজুয়াল ল্যাব এভাবেই অন্ধকার রাখা হয়। তো হটাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে কে কি করে বুঝা যায় না। তবে সবার আগে মাথা সেভ রাখতে হয় । না হলে পীঠে ধুপ ধাপ । ১ মিনিট এর ভিতর জেনারেটর এসে পড়ে । তখন সব ঠিক ঠাক ।

ক্যাম্পাসের যে দিকটি সবচে বেশি ভাল লাগে………
-ক্যাম্পাসটার প্লাস পয়েন্ট হলো এটার রুম গুলো অনেক বড় । এবং বাহিরে অনেক খোলামেলা যায়গা আছে । ব্রেক এর সময় হাটা হাটী করা যায় । তাছাড়া সমস্ত প্রাক্টীকেল ক্লাস এবং থীওরি ক্লাস এর কক্ষসমুহ কাছাকাছি ।

যে দিকটি একদমই ভাল লাগে না……….
– কক্ষসমুহে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটর নেই । এসি চলে গেলে গরম বেশী লাগে।

বর্তমান ক্যাম্পাসের উন্নতিতে কোন মতামত বা পরামর্শ…....
– আসলে এই ক্ষেত্র বলার তেমন কিছুই নেই। তবে দুই একটা জিনিস (যেমনঃ কয়েকটি হ্যান্ডআউটস, কম্পিঊটার ) একটু ব্যাকডেটেড। আপডেট করা জরুরি ।

ছবিগুলো তোলার সময়কার অভিজ্ঞতা ……
– ক্লাসের ফাকে ফাকে তুলেছি । তবে প্রত্যেকবারই ভয়ে ছিলাম । কে কি বলে না বলে।

এবার আমার ছবিগুলো দেবার পালা । আগেই বলে রাখি । ছবিগুলো কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ক্যামেরা দিয়ে তোলা । tongue


Students Serving Teachers by Ahmad Firoz, on Flickr
একে বলা হয় সার্ভিং । এটা কিন্তু NCCর পরীক্ষার সময় তোলা। tongue


One Side of kitchen by Ahmad Firoz, on Flickr
ট্রেইনিং কিচেন এর একটা সাইড ।


Students Testing Food by Ahmad Firoz, on Flickr
কষ্ট করে খাবার তৈরির পর এটাই সবচেয়ে মজা । নিজেদের তৈরি খাবার নিজেরাই খাই smile

another side of kitchen by Ahmad Firoz, on Flickr
কিচেনের আরেকটা সাইড । এখানে ঠান্ডা বোধ হয় একটু বেশি ।


Refrigerator of Bakery & Pastry by Ahmad Firoz, on Flickr
বেকারি ও পেস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের অনেক দামি দামি কাচামালের আখড়া tongue


Photos smile by Ahmad Firoz, on Flickr
বেকারি ও পেস্ট্রি ডিপার্টম্যান্টের একসাইডে দেখলাম টানাইয়া রাখছে ।


Staircases by Ahmad Firoz, on Flickr
আমাদের সিড়ী । এখন শান্তিতে ঊঠি নামি । কিন্তু ভর্তি পরীক্ষার সময় এই সিড়ীর একটা ধাপ পার হতাম আর বুকটা ধুপ করে ঊঠতো ।


Corridor by Ahmad Firoz, on Flickr
করিডোর smile


Our classroom by Ahmad Firoz, on Flickr
আমাদের ক্লাসরুম smile । বাদরামির আড্ডাখানা । tongue


Side view of NHTTI by Ahmad Firoz, on Flickr
এক সাইড হতে এন এইচ টি টি আই কিরকম দেখা যায়? tongue


One part of language Lab by Ahmad Firoz, on Flickr
ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যবে বসা । tongue


Kitchen by Ahmad Firoz, on Flickr
কিচেন ! ট্রেইনিদের ।


Library . by Ahmad Firoz, on Flickr
লাইব্রেরি । smile

আসল টপিকঃ আমি ও আমার ক্যাম্পাস পর্ব ৫ 

NHTTI সম্পর্কে আরো জানতে যেতে পারেন ওদের ওয়েবসাইটেঃ http://www.nhtti.org

Advertisements

দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকায় ভুয়া খবর এবং বিদ্যালয়ের মানহানি ।

আমি ভেদরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র । এবং আমার বাবা ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ! তো যাই হোক আসুন আমরা আগে খবর টা দেখি এবং সাংবাদিক কি লিখে সেটা বিচার করি ।

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র পেটানো ও ছাত্রীর সঙ্গে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ
ভেদরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

নিজস্ব সংবাদদাতা, শরীয়তপুর, ২২ সেপ্টেম্বর ॥ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা ও শিক্ষকদের প্রতি এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি থাকা সত্ত্বেও জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলা সদরে ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র খালিদ নুর তনুকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে বিদ্যালয়ের ২ শিক্ষক। তাদের কোচিংয়ে ভর্তি না হওয়া ও তাদের নিকট প্রাইভেট পড়তে না যাওয়ার জের ধরে শিক্ষকদ্বয় এ ঘটনা ঘটায়। আহত ছাত্র খালিদ নুর তনুকে চিকিৎসার জন্য ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নির্যাতিত ছাত্রের পিতা নুর মোহাম্মদ বুধবার রাতে ভেদরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয় হলেন বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক মোঃ ফারুক হোসেন ও খ-কালীন শিক্ষক মাসুম। ঘটনার পর থেকেই মাসুম পলাতক। একই বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের সময় অশস্নীল আচরণ করেছেন আরেক শিক্ষক ফারুক হোসেন। এ ব্যাপারে ছাত্রীর মা শাহানাজ বেগম বুধবার প্রধান শিক্ষকের নিকট বিচার দাবি করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন এবং ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে বের দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রব মিয়া। বৃহস্পতিবার ঐ ছাত্রীর মা শাহানাজ বেগম তাঁর মেয়ের নির্যাতনের ঘটনা উলেস্নখ করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, মেয়র ও থানাসহ বিভিন্ন শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
জানা গেছে, ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রব মিয়া বিদ্যালয়ের ২/৩টি কক্ষ দখল করে আবাসিক কোচিং সেন্টার খুলেছেন। প্রধান শিক্ষকের এই কোচিং সেন্টারে বিদ্যালয়ের সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক মোঃ ফারুক হোসেন ও খ-কালীন শিক্ষক মাসুমসহ অন্য শিক্ষকরা পাঠদান করেন। বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ক্লাস নিতে যান খ-কালীন শিক্ষক মাসুম। তিনি অপর শিক্ষক ফারুক হোসেনের প্ররোচনায় পড়া না পাড়ার অজুহাতে ও প্রধান শিক্ষকের কোচিং সেন্টারে ভর্তি না হওয়ার কারণে খালিদ নুর তনুকে বেত ও ডাস্টার দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটাতে থাকেন। এতে রক্তাক্ত জখম হয়ে এক পর্যায়ে খালিদ নুর তনু মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়।

সুত্রঃ http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&dd=2011-09-23&ni=71695

১। তনু যদি গুরুতর আহত হয়ে থাকে তাহলে আজ ওকে সাইকেল দিয়ে ঘুরতে দেখল কিভাবে ( আমার ভাই )।একদিনের মাথায় হাসপাতাল পিটাপিটির জখম এবন অজ্ঞান ছাত্রকে ঠিক করে দেয়। tongue নতুন ডিজিটাল পদ্ধতি ।

২। বিনা বেতনে পড়ালে সেটা কিভাবে কোচিং হয় সেটা আমার জানা নেই । প্রধান শিক্ষক কয়েকটা অতি খারাপ ছাত্রদের পড়াশুনার উন্নতির জন্য নিজে কষ্ট করে বিনা বেতনে কোচিং করান এবং আবাসিক থাকার ব্যাবস্থা করার উদ্যোগ নেন(অতিরিক্ত কয়টা কক্ষে ) । উল্লেখ্য এই প্রধান শিক্ষক আসার পরে বিদ্যালয়ের ফলাফল ক্রমাগত ভাল হতে থাকে । গত বছর JSC পরীক্ষায় বিদ্যালয় হতে বৃত্তি পায় ১৯ জন ( শরীয়তপুর জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ) এবং এস এস সি পরীক্ষায় ৪ টা জিপিএ৫ সহ পাশের হার ৯১%। উল্লেখ্য এই প্রধান শিক্ষক আসার পুর্বে এই বিদ্যালয়ের নাম শরীয়তপুরের সেরা ১০ এও ছিল না । এবং এই প্রধান শিক্ষকের আমলেই বিদ্যালয়ে প্রথম দ্বীতল ভবন হয় এবং ত্রিতল ভবন নির্মানাধীন রয়েছে ।

৩।বিদ্যালয়ে এমপিও ভুক্ত শিক্ষক(সরকার অনুমোদিত) মাত্র ১২ জন ! ছাত্র সংখ্যা ১২০০ । সরকারের কাছে এবং শিক্ষামন্ত্রির কাছে প্রশ্ন ১২০০ ছাত্রকে কিভাবে ১২ জন শিক্ষক দ্বারা উন্নতমানের পাঠ দান করা যায়? তাই খণ্ডকালিন শিক্ষকের উদ্যোগ গ্রহন। এবং যেহেতু এই খন্ডকালীন শিক্ষক সরকারের এমপিওর বাইরে তাই সরকারী নিয়ম কানুন তার ক্ষেত্র কতটুকু প্রযোয্য তা নিয়ে প্রশ্ন রইল ? যদিও মাসুম তনুকে পিটান নি এবং তিনি পলাতকও নয় ( একটু আগেই তার সাথে ফোনে কথা হয়েছে।)

৪।এবার আসি মেয়ের বিষয়ে, মেয়ের ক্ষেত্রে ঘটনা হচ্ছে ও পড়া না পাড়ায় টেনশনে নাকি ক্লাসেই মাথা ঘুরে পড়ে যায়। তারপর এই লাঞ্ছিত করার অভিযোগ করে ( হয়তো সংবাদপত্রে নাম ঊঠার জন্য ) । মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে অন্যান ক্লাসমেট এবং শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করে । এ ধরনের বিনা কারনা লাঞ্ছনার অভিযোগ আনলে কার না মাথা খারাপ হয় । প্রধান শিক্ষকের ক্ষেত্রেও ব্যাতিক্রম নয় ।

এবার বলুন সাংবাদিকরা কিভাবে গল্প বানায় । সংবাদপত্র একটা জানার মাধ্যম ।তাতে যদি এইভাবে ভুয়া খবর ছড়িয়ে ভাল একটা বিদ্যলয়ের মানহানি করা হয় আমার মতে ওই সংবাদ দাতা কে বরখাস্ত করা উচিত। যাই হোক এই সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ।

[বিঃদ্রঃ আমি সাধারনত এই সব বিষয় নিয়ে কম ঘাটাঘাটি করি কিন্তু এক্ষেত্রে না করে পারলাম না ।
এবং এই লেখাটি যে যেভাবে পারুন অনুগ্রহ করে শেয়ার করুন। ]

ব্লগ লেখালেখি তে ফিরে আসব আশা করি।

আমার ওয়েবব্লগ ভিউয়াররা আশা করি ভালই আছেন । বহুদিন আগে এই ওয়েবব্লগ টা খুলে ভেবেছিলাম খুলে রেখে দেব। জাস্ট একটা ব্লগ । হিট বোধ হয় পরবে না । তাই হাতে গোনা  গুটি কয়েক পোস্ট করে রেখে দিয়েছিলাম । কিন্তু এতেই যে এত পরিমান হিট পরবে বুঝতে পারি নাই । তবে হ্যা হিট দেখে মনএস্থির করেছি নিয়মিত ব্লগ লিখব। এখন হতে নিয়মিত এখানে পোস্ট দেখতে পাবেন। ও হ্যা আপনাদের সুবিধার জন্য নতুন একটি সর্ট Url দিয়েছি।

URL: http://ahmadfiroz.tk

ভাল থাকবেন ,ধন্যবাদ।

সাইবার ক্রাইম নিয়ে “দ্য হিডেন ক্রাইম”

বাংলাদেশে প্রথমবারের মত নির্মিত হচ্ছে সাইবার ক্রাইমনির্ভর চলচিত্র দ্যা হিডেন ক্রাইম । ডিজিটাল ফরম্যাটে নির্মিতব্য এই চলচিত্রটির গল্প গড়ে উঠেছে একদল টিভি সংবাদিককে নিয়ে । তাদের সাইবার ক্রাইমের উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে বলা হয় । আর এটি তৈরি করতে গিয়ে তারা মুখোমুখি হয় একের পর এক নাটকিয়তা আর গল্পের । বাংলাদেশী টিনেজাররাও জড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ সাইবার ক্রাইমে । গল্পের সঙ্গে মিল রেখে এবং ডিজিটাল ছবির ভিন্ন ধারায় এক্সপেরিমেন্ট চালানোর জন্য ছবিটি হাইডেফিনেশন ক্যামেরায় ধারন করা হবে । এ সম্পর্কে ছবির প্রোযোজক ধীমন বড়ুয়া বলেন-”ভিন্ন ধারার স্বাদ আনার জন্য একদল তরুনকে ছবিটি নির্মান করেছি । আশা করি গল্প ও বৈষয়িক বৈচিত্রের কারণে ছবিটি সুধীমহলে সমাদৃত হবে”ধীমন বড়ুয়া প্রযোজিত এই ছবির কাহীনি লিখেছেন রহমান শেলী । পরিচালনা করেছেন সৈয়দ সাঈদ হোসেন বাবুল । এতে অভিনয় করেছেন মডেল কন্যা রীয়া,ঐশ্বর্য বীরজান,ববি রবিন খান ,প্রিয়াঙ্কা, অরিন,তৃষা,নুপুর,নিধা ,জে ইউ যুবায়ের ,মুক্তা প্রমুখ । এই ছবির ড্রেস ও বিঊটী পার্টনার হিসেবে থাকছে ব্যানথাই , চলতি সপ্তাহে শুটিং শুরু হবে । মালয়শিয়া এবং বাংলাদেশে বিভিন্ন লোকেশনে এটি চিত্রায়িত হবে।
বহুত ঘাটাঘাটি করেও এর চেয়ে বেশি বাড়াতে পারলাম না ।
সুত্রঃ শোবিজ

বাংলা র‌্যাপ গানের মূল্যায়ন কোথায়?

গানের বিভিন্ন ধরন (Genre) আছে।ফোক,ক্লাসিক,রক,হেভি মেটাল,ইলেকট্রো,পপ,অপেরা ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয় গানের ধাঁচ।”হিপহপ বা র‌্যাপ” গানের আর একটি বিশেষ ধরন।বিশ্বের সব দেশেই র‌্যাপ গান অত্যন্ত জনপ্রিয়।Akon,50 cent,2 pac,Jay-Z,Eminem,Jars Of Clay,J-Kwon,Sean Paul,Snoop-Dog এরা বিশ্বের নামকরা র‌্যাপ গানের শিল্পী।আমাদের বাংলাদেশেও গানের এই ধরনটি বেশ জনপ্রিয়।
সংগীতের মুল্যায়নের জন্য সকল দেশেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এসব অনুষ্ঠানে গানের প্রতিটি ধরন থেকে আলাদা আলাদা ভাবে সকল ধাঁচের গানের মুল্যায়ন করা হয়।আমাদের দেশেও এরকম বিভিন্ন আওয়ার্ড শো তথা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।বিষ্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে আমাদের দেশের এসব আওয়ার্ড শো তে সকল ধাঁচের গানের সেরা শিল্পীদের পুরুষ্কৃত করা হলেও বাংলা হিপহপ বা বাংলা র‌্যাপের কোন মুল্যায়ন করা হয় না?কিন্তু কেন???অন্যান্য গানের মত বাংলা র‌্যাপ গানও এদেশে বেশ জনপ্রিয়।Deshi mcs,Uptown lokolz,Fokir lal miah,Theology of Rap,stoic bliss এরা এদেশে বেশ জনপ্রিয় র‌্যাপ গানের শিল্পী।অথচ এদের কোন মুল্যায়ন নেই !!!যথার্থ মুল্যায়ন না হলে একসময় এদেশে র‌্যাপ গান বলে কিছু থাকবে না।এদেশী র‌্যাপাররা হয়তো অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না,তাদের এ্যালবাম বিক্রি হচ্ছে।কিন্তু তারা যথার্থ সম্মান পাচ্ছে না।বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় র‌্যাপার ফকির লাল মিয়া তার একটি গানে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে-

”আওয়ার্ড শো তে সবই আছে দেইখা কঠিন মজা পাই
পপ গানেরই মেডেল আছে বাংলা র‌্যাপের নামই নাই
দাম তোরা কেউ না দিলে বাংলা র‌্যাপ আর গাইবো কে?
ঢোল পিটাইয়া পরে কি লাভ,শিল্পী যদি না থাকে?
সবার হাতে হিন্দি ক্যাসেট হাত তালি টা দিব কে?
গলা ভাইঙ্গা লালের কি লাভ,মানুষ যদি না শোনে?”

Akon,50 cent,2 pac এদের গান সমগ্র বিশেব্যাপী চলে কিন্তু আমাদের বাংলা র‌্যাপের দাম এদেশেই নাই।যদি আমাদের দেশে বাংলা র‌্যাপারদের সঠিক মুল্যায়ন করা হয়,তাদের যথার্থ সম্মান করা হয় তবে বাংলা র‌্যাপ একসময় সমগ্র বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।আমার ব্যাক্তিগত মতামত,এদেশে বাংলা র‌্যাপ এবং র‌্যাপারদের যথার্থ মূল্যায়ন করা হোক,দেয়া হোক তাদের পূর্ণ সম্মান।

বাংলা র‌্যাপ

পুর্বে প্রথম আলো ব্লগে প্রকাশিত ।

শুরু করলাম ব্লগিং।

নেট যারা চালায় দেখি ম্যাক্সিমাম পোলাপাইন এরি ব্লগ আছে । তাই আমিও স্টার্ট করলাম ব্লগিং।